ক্ষমতায় এলে পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পিআর (আনুপাতিক) পদ্ধতি প্রবর্তনের কথা জানিয়েছে জামায়াত। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী ইশতেহারে এ ঘোষণা দেয় সংগঠনটি।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ইশতেহার ঘোষণা করে জামায়াত।
ইশতেহারের ‘নির্বাচনি ব্যবস্থার সংস্কার’ বিষয়ে বলা হয়েছে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সুসংহত ও কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় আইন ও বিধান সংস্কার করা হবে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পিআর পদ্ধতির প্রবর্তন করা হবে।
এতে আরও বলা হয়, সব স্তরের নির্বাচনি ব্যয় কমাতে উদ্যোগ নেওয়া হবে। সংসদে কমপক্ষে ৯০টি আসন বা ৩ শতাংশ ভোট পাওয়া দলগুলোর প্রতিনিধিদের জেলা ও উপজেলার নির্বাচন অফিসে পর্যবেক্ষক হিসেবে অন্তর্ভুক্তির বিধান করা হবে।
জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই নির্বাচনী ইশতেহারে মোট ২৬টি অগ্রাধিকারমূলক বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। ইশতেহারের প্রথম অংশে দলটি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছে একটি বৈষম্যহীন, শক্তিশালী এবং মানবিক বাংলাদেশ গঠনের জন্য।
এতে শাসনব্যবস্থার মৌলিক সংস্কার, রাজনৈতিক ব্যবস্থার গভীর পরিবর্তন, কার্যকর জাতীয় সংসদ গঠন, নির্বাচনী ব্যবস্থার সংস্কার, জবাবদিহিতামূলক জনপ্রশাসন, দুর্নীতিমুক্ত সমাজ এবং আইন ও বিচারব্যবস্থার উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি রয়েছে। এই অংশে মূলত জাতীয় শাসন ও প্রশাসনকে জনগণের জন্য আরও কার্যকর, স্বচ্ছ এবং ন্যায়সংগত করার বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে।
/এমএইচআর