ঢাকা-২ সংসদীয় আসনের বিএনপির প্রার্থী ও সাবেক মন্ত্রী আমান উল্লাহ আমান দাবি করেছেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার শেষদিনে উদ্দেশ্যমূলকভাবে ভোটকেন্দ্র দখল, ব্যালট ছিনতাই ও বিশৃঙ্খলা তৈরির পরিকল্পনা চলছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার তারানগর ইউনিয়ন বিএনপি কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে আমান বলেন, ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে বিএনপির বহু নেতাকর্মী জীবন দিয়েছেন। জুলাই আন্দোলনে রিয়াজ, আবু সাঈদ ও ওয়াসিম শহিদ হন। সাম্প্রতিক সময়ে ইনকিলাব মঞ্চের হাদি ও কেরানীগঞ্জের হাসান মোল্লাকেও গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। তার দাবি, একই চক্র এখন আবারও জনগণের ভোটাধিকার হরণে সক্রিয়।
তিনি জানান, ঢাকা-২ আসনের ১৪১টি ভোটকেন্দ্রে বহিরাগতদের ব্যবহার করে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা চলছে। ব্যালট পেপার ছিনতাইয়ের সম্ভাব্য পরিকল্পনার খবর পাওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি প্রশাসনের জরুরি ও কঠোর ভূমিকা প্রত্যাশা করেন।
নির্বাচন বানচালের উদ্দেশ্যে বিস্ফোরক ও অস্ত্র মজুদের অভিযোগে যৌথ বাহিনী সাভার ও কেরানীগঞ্জ এলাকায় কয়েকজনকে আটক করেছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেন আমান উল্লাহ। তার ভাষায়, এসব ঘটনা একটি গভীর ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
একই সঙ্গে তিনি তার সময়কার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরে বলেন, বাবুবাজার–জিনজিরা সেতু নির্মাণ এবং বুড়িগঙ্গার ওপর একাধিক সেতু স্থাপনের মাধ্যমে কেরানীগঞ্জের সঙ্গে ঢাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, তার আমলে কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ৮টি কলেজ ও ১৫টি উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। আমিনবাজার, তেতুলজোড়া ও ভাকুতা এলাকাসহ পুরো ঢাকা-২ আসনে উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে আমান উল্লাহ আমান বলেন, নির্বাচিত হলে ঢাকা-২ আসনকে চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী ও ভূমিদস্যুমুক্ত করা হবে।
এফআর