বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভূমিধস বিজয় দিয়ে শেষ হলো বহুল প্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সাপ্তাহিক ছুটির দিন হলেও নগরজীবন ধীরে ধীরে ফিরছে আগের রূপে। ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী গণপরিবহণ চলাচল বন্ধ থাকলেও তা রাস্তাঘাটে চলতে দেখা গেছে।
ছোট-বড় শপিংমল, মার্কেট ও বিপণিবিতানও খুলতে দেখা গেছে। তবে গণপরিবহণে যাত্রী ও মার্কেটে ক্রেতার সংখ্যা ছিল আগের তুলনায় কিছুটা কম। শুক্রবার রাজধানীর ধানমন্ডি, লালবাগ, রমনা ও তেজগাঁওয়ের বিভিন্ন এলাকা সরেজমিনে ঘুরে এমন দৃশ্য দেখা গেছে।
নিউমার্কেট থানা-সংলগ্ন সড়কে সিটি করপোরেশনের কর্মচারীদের ঝুলে থাকা ব্যানার ও ফেস্টুন খুলে ফেলতে দেখা গেছে। এসময় মনির নামে এক কর্মচারী বলেন, ‘যত দ্রুত সম্ভব এগুলো খুলে ফেলতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আমাদের নির্দেশনা দিয়েছেন।’
এদিকে, বিভিন্ন এলাকায় গণপরিবহণ চলাচল করলেও যাত্রীর সংখ্যা ছিল খুবই কম। বাসের হেল্পাররা স্টপেজগুলোতে উচ্চস্বরে যাত্রী ডাকতে দেখা গেছে।
শাহবাগ এলাকায় রমিজ মিয়া নামের এক চালক জানান, তাদের বাসটি আরও একদিন রিকুইজিশনে থাকার কথা থাকলেও নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ায় সকালে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
নিউমার্কেট ও গাউছিয়া এলাকার ব্যবসায়ীরা জানান, জীবিকার তাগিদেই আজ তারা দোকানপাট খুলেছেন। সকালে ক্রেতা কম থাকলেও বিকেলে সংখ্যা বাড়তে পারে বলে তারা আশা করছেন। তবে মার্কেটের তুলনায় ফুটপাতের দোকানগুলোতে শুক্রবার সকালে ক্রেতার উপস্থিতি ছিল তুলনামূলকভাবে বেশি।
নীলক্ষেত এলাকায় আব্দুর রব নামের এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘বিএনপির কাছে এবার মানুষের প্রত্যাশা অনেক বেশি। তাছাড়া বিরোধী দলে কয়েকজন তরুণ ছাত্রনেতা থাকায় আমরা আশাবাদী। সামনের দিনগুলোতে দেশের অর্থনীতিসহ সার্বিক উন্নতি হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।’
সময়ের আলো/কেএইচও