প্রকাশ: শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:৫০ পিএম
স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনি অফিস ভাঙচুর। সংগৃহীত ছবি ঝিনাইদহে ৩টি আসনে নির্বাচন পরবর্তী হামলা-ভাঙচুর ও দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ঝিনাইদহ-৪ আসনের কালীগঞ্জে হামলায় স্বতন্ত্র (বিএনপি বিদ্রোহী) প্রার্থীর প্রায় ২৮ জন সমর্থক এবং ধানের শীষ প্রতীকের ২ জন সমর্থক আহতসহ স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনি অফিস ভাঙচুর করা করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ঝিনাইদহ-৪ নির্বাচনি বিভিন্ন এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে ঝিনাইদহ-৪ আসন থেকে জামায়াত প্রার্থী আবু তালিব বিজয়ী হয়। স্বতন্ত্র প্রার্থী কাপ পিরিচ প্রতীকের সাইফুল ইসলাম ফিরোজ ও ধানের শীষের রাশেদ খান সমর্থকেরা গভীর রাত থেকেই একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বিভিন্ন এলাকায় উত্তেজনা ছড়াতে থাকে।
পরে শুক্রবার সকাল থেকে কোলা, জামাল, নিয়ামতপুর, নলডাঙ্গা ইউনিয়ন ও কালীগঞ্জ শহরে দফায় দফায় হামলার ঘটনা ঘটে। এসময় বেলা ১১টার দিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী ফিরোজের অফিসে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও ৩ জনকে কুপিয়ে জখম করা হয়।
স্বতন্ত্র প্রার্থী ফিরোজ বলেন, ‘অন্যায়ভাবে আমার নির্বাচনি অফিসে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও কর্মী সমর্থকদের কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী থানা পুলিশ সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। যে কারণে এ আসনের বিভিন্ন এলাকার আমার কর্মী সমর্থকদের ওপর একের পর এক হামলা চালাচ্ছে তারা।’
অভিযোগের বিষয়ে ধানের শীষের প্রার্থী রাশেদ খান বলেন, ‘কে বা কারা স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনি অফিস ভাঙচুর করেছে তা আমার জানা নেই। আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করা হচ্ছে।’
কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জেল্লাই হোসেন বলেন, ‘কয়েকটি এলাকায় আমরা সংঘর্ষের খবর পেয়েছি। এসবে এলাকায় পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তবে, এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই লিখিত অভিযোগ দেয়নি।’
সময়ের আলো/কেএইচও