নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় জামায়াতের ১৩ নেতাকর্মী আহত

যশোর প্রতিনিধি

সারাদেশ

যশোরের চৌগাছায় নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় বিভিন্ন ইউনিয়নে ১৩ জন আহত হয়েছেন। আহতরা অভিযোগ করেছেন, হামলাটি করেছেন বিএনপি কর্মীরা। বাড়ি-ঘরে হামলা

2026-02-15T14:32:43+00:00
2026-02-15T14:32:43+00:00
 
  মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬,
৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
সারাদেশ
নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় জামায়াতের ১৩ নেতাকর্মী আহত
যশোর প্রতিনিধি
প্রকাশ: রোববার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:৩২ পিএম 
প্রতীকী ছবি
যশোরের চৌগাছায় নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় বিভিন্ন ইউনিয়নে ১৩ জন আহত হয়েছেন। আহতরা অভিযোগ করেছেন, হামলাটি করেছেন বিএনপি কর্মীরা। বাড়ি-ঘরে হামলা ও হুমকি অব্যহত রয়েছে। এঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

নির্বাচনের দিন রাতে কেন্দ্রের দাঁড়িপাল্লা পাশ করায় উপজেলার সুখকুপুরিয়া ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামে বিএনপি কর্মী রমজান আলী ও তার সঙ্গীরা হামলা চালায়। এতে গ্রামের মতিয়ার রহমানের স্ত্রী রোকেয়া বেগম (৪৯), মন্টুর মিয়ার স্ত্রী মরিয়ম খাতুন (৫০) ও ছেলে পিয়াস উদ্দীন (৩৫) গুরুতর আহত হন।

একই দিন ফুলসারা ইউনিয়নের দূর্গাবরকাটি গ্রামের জামায়াত কর্মী মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে সাবেক ইউপি সদস্য তোফাজ্জেল হোসেন (৫০), ছেলে শাহাবাজ (২৫), মেয়ে সুমাইয়া খাতুন (১৯) ও হাফেজ বাহা উদ্দীন (৪৫) কে স্থানীয় বিএনপি কর্মী ইউসুফ, মেহের আলী ও মিলনসহ কয়েকজন হামলা চালিয়ে আহত করে।

বাড়িয়ালি গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা ওলিয়ার রহমান ও জামায়াত কর্মী জান্নাতুল ফেরদৌসের বাড়িতে ওসমান ও ইউপি সদস্য রাজুর নেতৃত্বে হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। বাড়িতে ভাঙচুরে বাধা দিলে উভয়কে পিটিয়ে আহত করে।

১৪ ফেব্রুয়ারি রাতে উপজেলার পাশাপোল ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামে বিএনপি কর্মী চঞ্চলের ছেলে পিয়াস, মোশারফের ছেলে বিরো ও গোলাম হোসেনের ছেলে নাসিরের নেতৃত্বে হামলা চালিয়ে জামায়াত কর্মী মসজিদের ইমাম মাসুদকে মাথা ফাটিয়ে দেয়। এ সময় আব্দুল্লাহ আল মামুন, নয়ন, আমীর হামজা সহ আরও কয়েকজন জামায়াত কর্মী আহত হন।

এঘটনায় অভিযুক্ত তরিকুল ইসলাম বিরোর ছেলে সাকিনুল ইসলামকে চৌগাছা থানার পুলিশ আটক করেছে এবং এলাকায় পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে।

পাতিবিলা ইউনিয়নে দাড়িপাল্লায় ভোট দেওয়ার অভিযোগে কৃষক রুহুল আমিনের একটি সেগুন বাগান কেটে সাবাড় করে দেয় বলে অভিযোগ করেছেন জামায়াত নেতারা।

চিকিৎসাধীন রোকেয়া, মরিয়ম, মাসুদসহ কয়েকজন জানান, তাদের উপর হামলা চালানো বেশির ভাগই আওয়ামী লীগের কর্মীরাই করেছেন। তারা বলছেন, যারা আগে বিএনপি-জামায়াতের কর্মীদের নির্যাতন করেছে, এখন সেই একই মানুষরা আবার বিএনপি হয়ে তাদের উপর নির্যাতন চালাচ্ছে।

উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাসুদুল হাসান তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে বলেন, নির্বাচন পরবর্তী কোনো সহিংসতার দায় উপজেলা বিএনপি নেবে না। উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম এ সালাম বলেন, আমরা কর্মীদের কোনো সহিংসতায় জড়াতে নিষেধ করেছি। এরপরও কেউ সহিংসতায় জড়ালে তার দায় দল নেবে না।

চৌগাছা থানার ওসি রেজাউল করিম বলেন, সহিংসতার অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ বলেন, অন্যায়ভাবে আমার নেতা-কর্মীদের উপর হামলা চালানো হচ্ছে। তিনি বলেন, জয়-পরাজয় থাকবে, তবে পরাজিত প্রার্থীর কর্মীদের উপর হামলার সংস্কৃতি পরিহার করা উচিত। 

তিনি আরও বলেন, আমরা সকলে মিলে দেশকে এগিয়ে নিতে চাই এবং নতুন করে কোনো সহিংসতার বাংলাদেশ দেখতে চাই না।

সময়ের আলো/আরবিএন 


  বিষয়:   যশোর  নির্বাচন  সহিংসতা 


Loading...
Loading...
সারাদেশ- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: