ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর তারেক রহমানকে একাধিকারে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে। বিএনপি চেয়ারম্যানের এই পদোন্নতি সংসদে দলীয় একনিষ্ঠতার প্রতীক হিসেবে দেখাচ্ছে।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথকক্ষে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা জাতীয় সংসদ ভবন-এ শপথ গ্রহণ করেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান। অনুষ্ঠানে দেশি-বিদেশি অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
শপথ গ্রহণের পর অনুষ্ঠিত সংসদীয় দলের প্রথম সভায় সভাপতি হিসেবে তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সর্বসম্মতিক্রমে তাকে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ সংবিধান সংস্কার পরিষদের বিষয়ে দলীয় অবস্থান তুলে ধরেন। শপথ নেওয়া সংসদ সদস্যরা শপথপত্রে স্বাক্ষর করেন এবং প্রয়োজনীয় সরকারি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন।
আরও পড়ুন
সূচি অনুযায়ী, বিকেল ৪টায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান এবং নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেবেন দক্ষিণ প্লাজায়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ অনুষ্ঠান শেষে নতুন মন্ত্রীদের দায়িত্ব ও দপ্তর বণ্টন সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে এই নতুন মন্ত্রিসভা এবং সংসদীয় দল সমন্বিতভাবে সরকারের কার্যক্রমকে দ্রুত অগ্রসর করার প্রস্তুতি নেবে। এটি একদিকে সংসদীয় স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করছে, অন্যদিকে দলের অভ্যন্তরীণ সংহতি ও নেতৃত্বকে শক্তিশালী করছে।
এএডি/