বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পুনর্ভর্তি নিয়ে মন্ত্রণালয়ের নতুন সিদ্ধান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয়

টিউশন ফি, ভর্তি ও বোর্ড পরীক্ষার ফি সহ সব ধরনের আয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা

2026-02-18T18:10:59+00:00
2026-02-18T18:10:59+00:00
 
  সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬,
৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
জাতীয়
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পুনর্ভর্তি নিয়ে মন্ত্রণালয়ের নতুন সিদ্ধান্ত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:১০ পিএম 
শিক্ষার্থীর কাছ থেকে পুনরায় কোনো ‘পুনর্ভর্তি ফি’ আদায় করা যাবে না। ছবি : সংগৃহীত
টিউশন ফি, ভর্তি ও বোর্ড পরীক্ষার ফি সহ সব ধরনের আয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা সংক্রান্ত নীতিমালা, ২০২৬’ জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ নীতিমালা অনুযায়ী, ভর্তি থাকা কোনো শিক্ষার্থীর কাছ থেকে পুনরায় কোনো ‘পুনর্ভর্তি ফি’ আদায় করা যাবে না বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, গত ৯ ফেব্রুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে এই নীতিমালা চূড়ান্ত করা হয়। সম্প্রতি এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের যে-কোনো আর্থিক অনিয়মের জন্য পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও প্রতিষ্ঠান প্রধান (অধ্যক্ষ বা প্রধান শিক্ষক) যৌথভাবে দায়ী থাকবেন। এমনকি দায়িত্ব ছাড়ার পরেও ওই সময়ের কোনো অনিয়ম ধরা পড়লে তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষক বা কর্মকর্তা আর্থিক বিধি লঙ্ঘন করলে তা ‘অসদাচরণ’ হিসেবে গণ্য হবে এবং এর ফলে তাদের এমপিও স্থগিত বা বরখাস্ত পর্যন্ত করা হতে পারে। এছাড়া অনিয়মের দায়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটিও বাতিল করতে পারবে সরকার।


শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ইমপ্রেস্ট ফান্ড বা খুচরা নগদ তহবিলের ঊর্ধ্বসীমাও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের ধরন ও শিক্ষার্থী সংখ্যার ভিত্তিতে প্রতি মাসে ১০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত নগদ খরচ করা যাবে। তবে একক কোনো ভাউচারে ২৫ হাজার টাকার বেশি নগদ খরচ করা যাবে না। এর অতিরিক্ত যে-কোনো ব্যয় অবশ্যই ক্রস চেকের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে।

মন্ত্রণালয় সূত্রে আরও জানা গেছে, পরিবীক্ষণ ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ) একটি অনলাইন ভিত্তিক ‘ই-ক্যাশ বুক’ সিস্টেম তৈরি করবে। প্রতিষ্ঠানের সব ভাউচার এই সিস্টেমে এন্ট্রি করতে হবে। এ ছাড়া শিক্ষক-কর্মচারীদের মানবিক প্রয়োজনে (চিকিৎসা বা প্রাকৃতিক দুর্যোগ) সর্বোচ্চ ৬ মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ টাকা অগ্রিম বা ঋণ হিসেবে দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে, যা পরে কিস্তিতে বেতন থেকে সমন্বয় করা হবে।

সময়ের আলো/কেএইচও


  বিষয়:   শিক্ষার্থী  পুনর্ভর্তি ফি  শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান  মন্ত্রণালয় 


Loading...
Loading...
জাতীয়- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: