সদ্য বিদায়ী সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একজন উপদেষ্টার বয়স পূর্ণ না হওয়ার পরও অস্ত্রের লাইসেন্স পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জানিয়েছেন, বিষয়টি আইনানুগভাবে দেখা হবে, তবে লাইসেন্স প্রদানের ক্ষেত্রে ব্যক্তির সামাজিক অবস্থান ও নিরাপত্তার গুরুত্বও বিবেচনার দাবি রাখে।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
সাবেক ওই উপদেষ্টার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না–এমন প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘এগুলো সব আইনানুগভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে এখন দেখতে হবে কাকে কোন বিবেচনায় লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। সামাজিক নিরাপত্তা বা সামাজিক অবস্থান–এগুলো বিবেচনায় নিতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘একজন উপদেষ্টাকে হয়তো তার বয়স বিবেচনাটা না রেখে সামাজিক গুরুত্ব এবং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার বিষয়গুলো চিন্তা করে লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। এই বিষয়গুলো সব বিবেচনায় রেখেই তো আমাদের কথা বলতে হবে।’
উল্লেখ্য, গত বছরের ২৯ জুন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের যুব ও ক্রীড়া এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া মরক্কোয় ‘ওআইসি ইয়ুথ ক্যাপিটাল ইন্টারন্যাশনাল প্রোগ্রামে’ অংশ নিতে যাওয়ার পথে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্ক্যানিংয়ের সময় তার ব্যাগে ম্যাগাজিন পাওয়া যায়। তখন প্রশ্ন ওঠে-ম্যাগাজিনটি কার এবং সেটি বৈধ কি না?
পরে ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া ব্যাখ্যায় আসিফ মাহমুদ বলেছিলেন, ‘নিরাপত্তার স্বার্থে তার লাইসেন্স করা বৈধ অস্ত্র আছে।’
সমযের আলো/এনএ