টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাঁচা-মরার ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে ২১৩ রানের টার্গেট দিয়েছে পাকিস্তান। টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৮ উইকেট হারিয়ে ২১২ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান।
নিজেদের ইনিংসে ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান ও ফখর জামানের জুটি বিনা উইকেটে স্কোরবোর্ডে ১৭৬ রান তোলেন। কিন্তু পরে ৩৪ রানের ব্যবধানে ৮ উইকেট হারায় পাকিস্তান।
দুই ওপেনারের তাণ্ডবে পাওয়ার প্লেতে ৬৪ রান তোলে পাকিস্তান। ম্যাচের দশম ওভার শেষ হওয়ার এক বল আগেই দলীয় সংগ্রহ দাঁড়ায় ১০০ রান। এর আগেই হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন সাহেবজাদা ফারহান। একই ম্যাচে গড়েছেন এক বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড।
ম্যাচের ১৬তম ওভারের পঞ্চম বলে দুষ্মন্ত চামিরা ফখরকে বোল্ড করে ১৭৬ রানের জুটি ভেঙে দেন । পাকিস্তানের এই ওপেনার ৪২ বলে ৯ চার ও ৪ ছয়ে ৮৪ রানে আউট হন।
পরের ওভারে দিলশান মাদুশাঙ্কার বলে থামেন খাজা নাফেই। দুইশ থেকে ২ রান দূরে থাকতে রান আউট হন শাদাব খান। ১৯তম ওভারের প্রথম বলে প্রথম ব্যাটার হিসেবে বিশ্বকাপের এক আসরে দুটি সেঞ্চুরির কীর্তি গড়েন সাহেবজাদা ফারহান। বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ তিনটি সেঞ্চুরি রয়েছে পাকিস্তান ওপেনার বাবর আজমের। যৌথভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সেঞ্চুরি রয়েছে ফারহান ও ক্রিস গেইলের।
৫৯ বলে ৯ চার ও ৫ ছয়ে ফারহানের সেঞ্চুরির পরের তিন বলে দুই উইকেট হারায় পাকিস্তান। শেষ ওভারের প্রথম বলে ফারহান আউট হন। ৬০ বলে ৯ চার ও ৫ ছয়ে ১০০ রানে আউট হন তিনি। মাদুশাঙ্কার বলে জেনিথ লিয়ানাগে হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন তিনি। চলতি আসরে ৬ ইনিংসে ৯৫.৭৫ গড়ে ৩৮৩ রান করেছেন ফারহান।
ব্যাটিংয়ে শাহিনশাহ আফ্রিদি চার মারার পরের বলে আউট হন। পঞ্চম বলে নাসিম শাহ রান আউট হন। শ্রীলঙ্কার হয়ে মাদুশাঙ্কা সর্বোচ্চ তিন উইকেট নেন। অধিনায়ক দাসুন শানাকা পান দুটি উইকেট।
সময়ের আলো/আআ