শীতের শেষে বসন্তের আগমনী বার্তা নিয়ে লাল-কমলা রঙে সেজেছে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক। কালো পিচ ঢালা মহাসড়কের বিভাজনে পলাশের লাল আভা চালক ও যাত্রীদের মনে ছড়িয়ে দিচ্ছে অন্যরকম মুগ্ধতা। শত শত পলাশ গাছ তাদের আগুনরঙা ফুলে জানান দিচ্ছে বসন্তের বার্তা।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার চান্দিনা অংশে সড়ক বিভাজনে পলাশের রঙ নজর কেড়েছে যাত্রী, চালক ও পথচারীদের। ভোরের কোমল আলো কিংবা বিকেলের সোনালী রোদে পলাশের রঙ আরও উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। এতে মুগ্ধ হচ্ছেন যাত্রী, চালক ও পথচারীরা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, মহাসড়কের কুমিল্লার চান্দিনা বাস স্টেশন থেকে ইলিয়টগঞ্জ পর্যন্ত রয়েছে শতশত পলাশগাছ। শীতে পাতাঝড়া গাছগুলোতে এখন নতুন পাতার পাশাপাশি লাল রঙের ফুল যেনো লাল সবুজের এক ঐশ্বরিক সৌন্দর্য।
সারি সারি গাছ থেকে প্রতিনিয়ত ঝড়ে পড়ছে লাল পলাশ। দূর থেকে তাকালে মনে হয় যেন, আগুনরঙা ফুলের চাদরে মোড়া মহাসড়ক। তার এক অপার্থিব রূপ দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসছেন বিভিন্ন বয়স ও শ্রেণি-পেশার মানুষ। অনেকেই যাত্রাপথে গাড়ি থামিয়ে ক্যামেরাবন্দী করছেন নয়নাভিরাম এই দৃশ্য। গাছের তলা থেকে কুড়িয়ে নিচ্ছেন পলাশের পাপড়ি।
চান্দিনা উপজেলার বেলাশ্বর গ্রামের রুহুল আমিন জানান, মহাসড়কে আসলেই অন্যরকম এক অনুভূতি হয়। পলাশ ফুলের রঙ দেখে মন ভরে যায়। আমি ও আমার বন্ধুরা প্রায় সময় আসি। ছবি তুলি ও ভিডিও করি। ফুলগুলো দেখতে অনেক ভালো লাগে।
বাস চালক আব্দুল আউয়াল বলেন, চলতি পথে এই ফুল গুলো দেখলে অনেক ভালো লাগে। এদিকে আসলে যাত্রীরা ও এসব ফুল দেখে আনন্দিত হয়। এখন মহাসড়কটি দেখতে অনেক ভালো লাগে।
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ) কুমিল্লার উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. আদনান ইবনে হাসান বলেন- মহাসড়কের সৌন্দর্য বাড়াতে বছরজুড়ে ঋতুভেদে বিভিন্ন প্রজাতির ফুলগাছ রোপণ করা হয়েছে। প্রতিটি ঋতুতেই মহাসড়ক ফুলে ফুলে সজ্জিত থাকে। বসন্তের শুরুতেই পলাশ ফুল মহাসড়কের বিভাজনে তার মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে। ভবিষ্যতে এই মহাসড়ককে নান্দনিক করতে কাজ চলমান থাকবে।
সময়ের আলো/জোই