ইরানে হামলার শুরুর দিকেই বিপুল ক্ষতির মুখে পরেছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রতি ২৪ ঘণ্টায় খরচ হচ্ছে প্রায় ৭৭৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা অনেক দেশের বার্ষিক প্রতিরক্ষা বাজেটের চেয়েও বেশি। তবে এই ট্রিলিয়ন ডলারের মার্কিন বাজেটের সামনে আসল চ্যালেঞ্জ ডলারের নয়, বরং ফুরিয়ে আসা অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত।
সাম্প্রিতি আনাদোলু নিউজ এজেন্সি মার্কিন ব্যয় সংক্রান্ত এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘অপারেশন এপিক ফিউরির’ প্রথম ২৪ ঘণ্টাতেই আমেরিকার ব্যয় হয়েছে প্রায় ৭৭৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে টমাহক মিসাইলে, যার আর্থিক মূল্য ধরা হয়েছে প্রায় ৩৪০.৪ মিলিয়ন ডলার।
এর পরেই রয়েছে ফাইটার যুদ্ধবিমান। এ খাতে ক্ষতি, যার পরিমাণ প্রায় ২৭১.৩ মিলিয়ন ডলার। এছাড়া রকেট লঞ্চারের ক্ষতি হয়েছে ১২২.২ মিলিয়ন ডলার।
অন্যদিকে, অত্যাধুনিক বি-২ স্টেলথ বোমারু বিমান খাতে ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৩০.২ মিলিয়ন ডলার। পাশাপাশি যুদ্ধজাহাজ ও রণতরী খাতে ক্ষতির হিসাব দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৫ মিলিয়ন ডলার।
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, আসল দুশ্চিন্তা আর্থিক স্থায়িত্ব নিয়ে নয়, বরং সামরিক সরঞ্জামের মজুত নিয়ে।
ক্রিস্টোফার প্রিবল বলেন, ‘খরচের দিক থেকে এটি চালিয়ে যাওয়া সম্ভব। কারণ মার্কিন প্রতিরক্ষা বাজেট বর্তমানে এক ট্রিলিয়ন ডলারের এবং এটি বাড়িয়ে ১.৫ ট্রিলিয়ন করার প্রস্তাব করা হয়েছে। যদিও আমি ব্যক্তিগতভাবে বিষয়টিকে ভয়ানক মনে করি। কিন্তু প্রেসিডেন্ট এটি বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এক ট্রিলিয়ন ডলার অনেক বড় অঙ্কের টাকা হলেও আসল প্রশ্ন হলো আমেরিকার কাছে আসলে কত অস্ত্র জমা আছে। বিশেষ করে প্যাট্রিয়ট বা এসএম-৬ এর মতো ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রগুলো, যা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করতে ব্যবহৃত হয়।’
সময়ের আলো/কেএইচও