১২ ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনের ভোটে ২১২ আসনে ভূমিধস জয় পেয়ে সরকার গঠন করেছে বিএনপি। অন্যদিকে, প্রথমবারের মতো বিরোধী দলের অবস্থান পেয়েছে জামায়াত ও এনসিপি জোট।
ভোটের ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ৭৬ শতাংশ সদস্যই নতুন। ২২৭ জন প্রথমবারের মতো সংসদে যাচ্ছেন। এর মধ্যে বিএনপির ১৪৮ জন। জামায়াতে ইসলামীর ৬৩ জন।
বিএনপির জোটসঙ্গী গণ অধিকার পরিষদ, গণসংহতি আন্দোলন এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) তিনজন প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। সব মিলিয়ে বিএনপি জোটের আসন ২১৪টি। এর মধ্যে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন ১৫০ জন (জোটের হিসাবে)। অর্থাৎ বিএনপি জোট থেকে যারা সংসদে যাচ্ছেন, তাদের ৭০ শতাংশই নতুন।
আবার ৫০ সদস্য বিশিষ্ট মন্ত্রীপরিষদের মধ্যেও প্রধানমন্ত্রীসহ ৪০ জনই একদম নতুন। সে হিসেবে মোট মন্ত্রীসভার ৮০ শতাংশই নতুন।
প্রথমবারের মতো মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করবেন এ জেড এম জাহিদ হোসেন, খলিলুর রহমান, আবদুল আউয়াল মিন্টু, মিজানুর রহমান মিনু, খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, আরিফুল হক চৌধুরী, জহির উদ্দিন স্বপন, আমিনুর রশিদ ইয়াসিন, আফরোজা খানম রিতা, শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, মো. আসাদুজ্জামান, জাকারিয়া তাহের, দীপেন দেওয়ান, ফকির মাহবুব আনাম, সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল ও শেখ রবিউল আলম।
আর নতুন প্রথমবারের মতো দায়িত্ব পাওয়া প্রতিমন্ত্রীরা হলেন এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, শরিফুল আলম, শামা ওবায়েদ ইসলাম, সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, ফরহাদ হোসেন আজাদ, মো. আমিনুল হক, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, মো. আব্দুল বারী, মীর শাহে আলম, জোনায়েদ সাকি, ইশরাক হোসেন, ফারজানা শারমিন, শেখ ফরিদুল ইসলাম, নুরুল হক নুর, ইয়াসির খান চৌধুরী, এম ইকবাল হোসেন, এম এ মুহিত, আহমেদ সোহেল মঞ্জুর, ববি হাজ্জাজ, আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম, হাবিবুর রশীদ ও মো রাজিব আহসান।
সংসদ সদস্য বা মন্ত্রীদের বেশিরভাগ নতুন হলেও রাজনীতিতে কেউ নতুন নয়। ১৭ বছরে কারচুপির নির্বাচনের কারণে অনেকেই বঞ্চিত হয়েছে এসব পদ থেকে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ নতুন দায়িত্ব নেওয়া সকলের জন্য দেশ পুনর্গঠন একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে থাকবে বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
/এমএইচআর