ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি কোমায় আছেন এমন দাবি করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য সান।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র চার দিনের মাথায় তিনি গুরুতর আহত হয়ে কোমায় আছেন।
৫৬ বছর বয়সী এই নেতার একটি পা কেটে ফেলতে হয়েছে এবং তার পেট ও লিভারসহ শরীরের ভেতরের কিছু অঙ্গ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
তবে তিনি ঠিক কখন এবং কীভাবে আহত হয়েছেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তার বাবা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার দিনই তিনি আহত হয়েছিলেন কি না, সেটিও এখনো নিশ্চিত নয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, তাকে বর্তমানে তেহরানের ঐতিহাসিক এলাকায় অবস্থিত সিনা ইউনিভার্সিটি হাসপাতালের একটি কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টিত আইসিইউতে রাখা হয়েছে। হাসপাতালের ওই অংশে প্রবেশে কঠোর নিয়ন্ত্রণ রাখা হয়েছে।
তার চিকিৎসার তদারকি করছেন ইরানের স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা শিক্ষা মন্ত্রী মোহাম্মদ রেজা জাফরগজানি।
তিনি ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় দীর্ঘ আট বছর যুদ্ধক্ষেত্রে ট্রমা সার্জন হিসেবে কাজ করেছেন।
চিকিৎসক দলের মধ্যে আরও রয়েছেন ডা. মোহাম্মদ মারাশি, যিনি শহীদ বেহেশতি ইউনিভার্সিটি অব মেডিকেল সায়েন্সেসের জ্যেষ্ঠ সার্জন।
চিকিৎসকদের মতে, মোজতবা খামেনির শারীরিক অবস্থা এখন ‘খুবই সংকটজনক’।
এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে তাকে ‘রমজানের যোদ্ধা’ বা ‘যুদ্ধে আহত প্রবীণ’ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের শব্দ ব্যবহার তার আহত হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
গত ৮ মার্চ সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তার অসুস্থতার এই দাবি মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি করতে পারে।
সময়ের আলো/আরবিএন