ইরান-ইসরায়েলের যুদ্ধ ‘চূড়ান্ত পর্যায়ে’ প্রবেশ করেছে

সময়ের আলো ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ বলেছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ এখন ‘নির্ণায়ক পর্যায়ে’ পৌঁছেছে। সেই সঙ্গে ইরানের খার্গ দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার

2026-03-14T21:52:49+00:00
2026-03-14T21:52:49+00:00
 
  মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬,
২১ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
আন্তর্জাতিক
ইরান-ইসরায়েলের যুদ্ধ ‘চূড়ান্ত পর্যায়ে’ প্রবেশ করেছে
সময়ের আলো ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ৯:৫২ পিএম 
ফাইল ছবি
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ বলেছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ এখন ‘নির্ণায়ক পর্যায়ে’ পৌঁছেছে। সেই সঙ্গে ইরানের খার্গ দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জন্য দেশটির প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের প্রশংসা করেছেন।

স্থানীয় শনিবার (১৪ মার্চ) এক টেলিভিশন ভাষণে কাৎজ বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বে ইরানের বিরুদ্ধে বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক সংগ্রাম তীব্র হচ্ছে এবং এখন সেই নির্ণায়ক পর্যায়ে প্রবেশ করেছে, যা প্রয়োজনমতো চলবে।’
 
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার (১৩ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে তিনি জানান, ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসে অন্যতম শক্তিশালী বিমান হামলা চালিয়েছে। তারা ইরানের ‘মুকুটের মণি’ হিসেবে পরিচিত খার্গ দ্বীপের প্রতিটি সামরিক লক্ষ্যবস্তু পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছে।
 
তবে তেল অবকাঠামো ধ্বংস করা হয়নি বলে জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, ‘আমি এখনও দ্বীপটির তেল অবকাঠামো ধ্বংস করার সিদ্ধান্ত নেইনি। তবে ইরান বা অন্য কেউ যদি হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের স্বাধীন ও নিরাপদ পথ ব্যাহত করার চেষ্টা করে, তাহলে আমি এই সিদ্ধান্তও পুনর্বিবেচনা করব।’
 
ইরানকে আবারও অস্ত্র সমর্পণ করার আহ্বান জানিয়ে ট্রাম্প বলেন, তাদের দেশের যা অবশিষ্ট আছে, তা বাঁচাতে এখনই অস্ত্র নামিয়ে রাখা উচিত।’
 
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সরকার অন্যান্য দেশের ওপর চাপ দিচ্ছে যাতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল ও বাণিজ্যিক সামগ্রী অব্যাহতভাবে প্রবাহিত হয়। আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিরাপদ নৌ চলাচলের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ২০ বিলিয়ন ডলারের বীমা দেয়ার কথাও ভাবছে।
 
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইতিমধ্যেই কয়েকটি সম্ভাব্য পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছেন। এর মধ্যে আছে নৌবাহিনীকে প্রণালীতে তেল ও পণ্য বহনের নিরাপত্তা দেয়ার দায়িত্ব দেয়া। অন্য একটি পরিকল্পনা হলো জাপান থেকে ২ হাজার ৫০০ মার্কিন মেরিন সেনা মোতায়েন করা, যারা দুই সপ্তাহের মধ্যে পৌঁছাবে এবং নিরাপত্তা ও ভ্রমণ সুরক্ষা প্রদান করবে।
 
একই সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসন ইরানকে সর্তক করে জানিয়েছে, ‘আমরা ইতিমধ্যেই সতর্কতার বার্তা দিয়েছি। এভাবে চললে আমরা ইরানের তেল অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করতে পারি।’ তবে এখনও কোনো সরাসরি হামলার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। 

এদিকে খার্গ দ্বীপে মার্কিন হামলার জবাবে ইরানের আইআরজিসি বলেছে, খার্গ দ্বীপে মার্কিন হামলার পর আমিরাতের ভেতর থাকা মার্কিন ‘আস্তানাগুলো এখন থেকে বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হতে পারে। তারা এ বিষয়ে একটি বার্তা সংযুক্ত আরব আমিরাতকে পৌঁছে দিয়েছে।
 
আইআরজিসি আরও বলেছে, তারা তাদের দেশের সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ড রক্ষার অংশ হিসেবে আমেরিকার ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের উৎসস্থল, বন্দর, ঘাট ও আমিরাতে অবস্থানরত মার্কিন সেনাদের আশ্রয় কেন্দ্রগুলোকে নিশানায় নিতে পারে।
 
বিবৃতিতে আমিরাতে থাকা বন্দর, ঘাট ও মার্কিন সৈন্য বা সামরিক এলাকা পর্যন্ত বাস করা নাগরিকদের সেখান থেকে সরিয়ে নিতে অনুরোধও করা হয়েছে যাতে তারা কোনো ক্ষতির মুখে না পড়ে। 

/এমএইচআর 

  বিষয়:   ইরান-ইসরায়েল  যুদ্ধ 


Advertisement
Loading...
Loading...
আন্তর্জাতিক- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: