সদ্য শেষ হওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাজে পারফরম্যান্স করায় পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের ৫০ লাখ রুপি করে জরিমানা করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। এমন খবরে ক্রিকেট পাড়ায় রীতিমতো আলোড়ন শুরু হয়।
সমালোচনা হয়েছিল সাবেকদের নিয়েও। তবে এবার জানা গেল ভিন্ন খবর, পিসিবির মুখপাত্র জানিয়েছেন, বিশ্বকাপ দলের খেলোয়াড়দের জরিমানার খবর ঠিক নয়।
এবারের বিশ্বকাপে সুপার এইট পর্ব থেকেই বাদ পড়ে পাকিস্তান। দেশটির বেশ কিছু সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, বিশ্বকাপ দলের প্রত্যেক খেলোয়াড়কে ৫০ লাখ পাকিস্তানি রুপি জরিমানা করা হয়েছে। পিসিবি বলেছে, খেলোয়াড়েরা যদি ভালো পারফরম্যান্সের জন্য পুরস্কার পান, তবে খারাপ করলেও তাদের জরিমানা দিতে হবে। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের কাছে হারের পরপরই দলকে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছিল বলে খবরে বলা হয়।
এ খবর শুনে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক শহিদ আফ্রিদি বলেন, এটা সংকীর্ণ মানসিকতার প্রকাশ। ৫০ লাখ রুপি দিয়ে (বোর্ড) কী করবে। আমার মতে, এটা কোনো জরিমানাই নয়।
তবে আজ জরিমানার খবরটি ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন পিসিবির মুখপাত্র আমির মীর। খেলোয়াড়দের ওপর জরিমানা আরোপ করা না হলেও খারাপ পারফরম্যান্সের ক্ষেত্রে করণীয় নিয়ে ভাবা হচ্ছে বলে তিনি জানিয়েছেন। সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে তিনি জানান, কোনো খেলোয়াড়কে জরিমানা করা হয়নি। তবে হ্যাঁ, বোর্ড খেলোয়াড়দের জন্য একটি ফর্মুলা তৈরির কথা ভাবছে। কারণ, তারা ভালো পারফর্ম করলে উৎসাহ ভাতা দেওয়া হয়। তবে এখনো কিছুই চূড়ান্ত হয়নি এবং কোনো খেলোয়াড়কে জরিমানা করা হয়নি।
আরেক সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের প্রতিবেদন অনুসারে, পিসিবির চুক্তিবদ্ধ একজন ‘এ’ ক্যাটাগরির খেলোয়াড় মাসে ৪৫ লাখ রুপি বেতন পান। পাশাপাশি আইসিসির রাজস্বের অংশ হিসেবে ২০ লাখ ৭০ হাজার রুপি পান। ‘বি’ ক্যাটাগরির খেলোয়াড়েরা মাসিক ৩০ লাখ রুপি পান, সঙ্গে আইসিসির অংশ হিসেবে পান ১৫ লাখ ৫২ হাজার ৫০০ রুপি।
এছাড়া ‘সি’ ক্যাটাগরির খেলোয়াড়দের জন্য মাসিক বেতন ১০ লাখ ও আইসিসির অংশ ১০ লাখ ৩৫ হাজার। আর ‘ডি’ ক্যাটাগরির খেলোয়াড়দের মাসিক বেতন ৭ লাখ ৫০ হাজার ও আইসিসির অংশ ৫ লাখ ১৭ হাজার ৫০০ রুপি।
সময়ের আলো/আআ