রাজধানীর সদরঘাটে দুই লঞ্চের সংঘর্ষে বুড়িগঙ্গা নদীতে তলিয়ে যাওয়ার দীর্ঘ ৪৯ ঘণ্টা পর মিরাজ ফকিরের মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ-পুলিশ।
শুক্রবার (২০ মার্চ) সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে কেরানীগঞ্জের লবণের মিল সংলগ্ন বুড়িগঙ্গা নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নৌ-পুলিশের ঢাকা অঞ্চলের পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল-মামুন ঘটনার জানান, বরিশুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে নিহতের স্বজনরা মিরাজ ফকিরের পরিচয় নিশ্চিত করেন। বর্তমানে মরদেহটি মিটফোর্ড হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত বুধবার (১৮ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টায় সদরঘাটে ঢাকা-ইলিশা রুটের ‘আসা যাওয়া-৫’ লঞ্চে ট্রলার দিয়ে যাত্রী তোলার সময় পেছন থেকে ‘এমভি জাকির সম্রাট-৩’ নামে আরেকটি লঞ্চ সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে দুই লঞ্চের মাঝে পিষ্ট হয়ে নিহত হন মিরাজ ফকিরের ছেলে সোহেল ফকির (২২)। আর নদীতে নিখোঁজ হন মিরাজ ফকির। একই ঘটনায় আহত সোহেলের গর্ভবতী স্ত্রী রুবা ফকির (২০) গুরুতর আহত অবস্থায় বর্তমানে মিটফোর্ড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পরে এই ঘটনায় নিহতের বড় ভাই সিরাজ ফকির বাদী হয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেন।
নৌ-পুলিশ জানিয়েছে, মামলার এজাহারভুক্ত ৫ জন আসামিকে ইতোমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা দুই লঞ্চের স্টাফ এবং পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন।
এফআর