লন্ডনগামী ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইট উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরই এক নারী যাত্রীর মৃত্যু হয়। রোববার (২২ মার্চ) হৃদয়বিদারক ওই ঘটনার পর প্রায় ১৩ ঘণ্টা মৃতদেহসহ ভ্রমণ করতে বাধ্য হন যাত্রী ও ক্রুরা।
জানা গেছে, ৬০ বছর বয়সী ওই নারী এয়ারবাস এ৩৫০-১০০০ উড়োজাহাজ হংকং থেকে উড্ডয়নের প্রায় এক ঘণ্টা পর মারা যান। এরপরও পাইলটরা ফ্লাইটটি লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। কারণ, সাধারণত যাত্রী মৃত্যুকে জরুরি মেডিক্যাল পরিস্থিতি হিসেবে ধরা হয় না বলে জানিয়েছে এনডিটিভির।
প্রথমে মৃতদেহটি টয়লেটে রাখার কথা ভাবা হলেও তা বাতিল করা হয়। পরে সেটিকে কাপড়ে মুড়ে বিমানের পেছনের গ্যালিতে রাখা হয়। তবে ওই অংশের মেঝে গরম ছিল- বিষয়টি নজরে না আসায় সময়ের সঙ্গে সেখানে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। এতে অস্বস্তিতে পড়েন যাত্রীরা।
সূত্রে জানা যায়, পরিবারটি শোকে ভেঙে পড়েছিল, অনেকেই হংকংয়ে ফিরে যেতে চেয়েছিল। কিন্তু মৃত্যু হয়ে গেলে সেটিকে আর জরুরি অবস্থা হিসেবে দেখা হয় না।
লন্ডনে অবতরণের পর পুলিশ বিমানে উঠে তদন্ত চালায় এবং প্রায় ৪৫ মিনিট যাত্রীদের আসনে বসে থাকতে বলা হয়। বিমান সংস্থাটি জানায়, সব প্রটোকল যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল নীতিমালা অনুযায়ী, এমন ঘটনায় মৃতদেহ সাধারণত ঢেকে বা নিরিবিলি স্থানে রাখা হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, আকাশপথে মৃত্যু খুবই বিরল। এ ধরনের ঘটনার হার এক শতাংশেরও কম।
সময়ের আলো/আআ