নিরাপত্তা জোট গঠনের জন্যে ইসলামি দেশগুলোর একটি সম্মেলনের ফাঁকে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে তুরস্ক, সৌদি আরব, মিশর ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে এই প্রথমবারের মতো নিজেদের শক্তিকে একত্রিত করার উপায় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) রিয়াদে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আই এর এক প্রতিবেদনে জানা গেছে।
তুরস্ক গত বছর থেকেই পাকিস্তান ও সৌদি আরবের সঙ্গে একটি নিরাপত্তা চুক্তির চেষ্টা চালিয়ে আসছিল।
চলতি বছরের শুরুর দিকে এক পাকিস্তানি মন্ত্রী এক বিবৃতিতে জানান যে, এ ধরনের একটি চুক্তি প্রায় এক বছর ধরে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এই বিষয়ের সঙ্গে পরিচিত তুর্কি সূত্রগুলো এর আগে জানিয়েছিল যে, আঙ্কারা এই ব্যবস্থায় মিশরকেও অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করছে।
বেশ কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে, এই চুক্তি ন্যাটোর গ্যারান্টি বা প্রতিশ্রুতিগুলোর মতো হবে না; বরং এটি একটি নিরাপত্তা প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে, যা প্রতিরক্ষা শিল্প এবং বৃহত্তর প্রতিরক্ষা বিষয়ে আরও বেশি সহযোগিতার সুযোগ তৈরি করবে।
তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান শনিবার বলেন, ‘আঞ্চলিকভাবে নির্দিষ্ট মাত্রার প্রভাব রয়েছে এমন দেশ হিসেবে আমরা কীভাবে আমাদের শক্তিকে একত্রিত করে সমস্যার সমাধান করতে পারি, তা খতিয়ে দেখছি।’
তিনি বলেন, ‘সর্বোপরি, আমরা বেশ কিছুকাল ধরে বলছি যে অঞ্চলের দেশগুলোর একত্রিত হওয়া উচিত, আলোচনা করা উচিত এবং নতুন ধারণা তৈরি করা উচিত। আমরা আঞ্চলিক মালিকানার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের একে অপরকে বিশ্বাস করতে শিখতে হবে। নির্দিষ্ট কিছু ইস্যুতে আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে। আমাদের একটি অভিন্ন অবস্থান গ্রহণ করতে সক্ষম হতে হবে।
সময়ের আলো/কেএইচও