হোয়াইট হাউসে হোমল্যান্ড সিকিউরিটির নতুন সেক্রেটারির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
তিনি দাবি করেন, ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র কৌশলগতভাবে এগিয়ে রয়েছে এবং জয় অনেকটাই নিশ্চিত।
শান্তি চুক্তির সম্ভাবনা প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, তেহরান এখন আলোচনায় আগ্রহী হয়ে উঠেছে। তবে সংঘাতের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি কবে হবে, সে বিষয়ে তিনি নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা উল্লেখ করেননি।
ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ প্রসঙ্গে ট্রাম্প জানান, ইরানের সঙ্গে আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা সক্রিয় রয়েছেন। এ প্রক্রিয়ায় অংশ নিচ্ছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।
এছাড়া জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনার এবং মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফও আলোচনায় সম্পৃক্ত রয়েছেন।
ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, ইরান এখন একটি চুক্তি করতে চায়। আপনি তাদের জায়গায় থাকলেও এটাই চাইতেন।
হরমুজ প্রসঙ্গে আলোচনার অগ্রগতির ইঙ্গিত দেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
তিনি বলেন, ইরানি পক্ষ তেল, গ্যাস ও হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে একটি ‘গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব’ দিয়েছে।
তবে এ বিষয়ে আর বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।
সাম্প্রতিক হামলার পর ইরানের সামরিক সক্ষমতা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও দাবি করেন ট্রাম্প।
তার বক্তব্য অনুযায়ী, দেশটির নৌ, বিমান ও যোগাযোগ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে। তারা এখন একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগও করতে পারছে না, এটাই এখন তাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা।
একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, ইরান কোনোদিন পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না এমন শর্তে তারা রাজি হয়েছে।
এ সময় উপসাগরীয় দেশগুলোর ভূমিকাও তুলে ধরেন ট্রাম্প। সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ‘চমৎকার’ এবং কাতারকে ‘দুর্দান্ত’ রাষ্ট্র হিসেবেও অভিহিত করেন তিনি।
সূত্র: বিবিসি