সৌদি আরব, কুয়েত ও বাহরাইনে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা যুক্তরাজ্য। ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলি বলেছেন, গত কয়েক দিনে এটি স্পষ্ট হয়েছে যে ‘ইরান তার হামলার পরিধি বাড়াচ্ছে’।
কাতারের রাজধানী দোহা সফরকালে জন হিলি বলেন, গত কয়েক দিনে এটি স্পষ্ট হয়েছে যে ইরান পরিকল্পিতভাবে তার আক্রমণের বিস্তার ঘটাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে উপসাগরীয় দেশগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিতে ব্রিটেন তাদের পাশে থাকার অঙ্গীকার করছে।
হিলি জানান, সৌদি আরব, কুয়েত ও বাহরাইনে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠানোর পাশাপাশি কাতারে মোতায়েন করা ব্রিটিশ ‘টাইফুন’ যুদ্ধবিমানগুলোর কার্যক্রমও অব্যাহত থাকবে।
উপসাগরীয় দেশগুলোর প্রতি সংহতি জানিয়ে ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘ব্রিটেন আপনাদের পাশে আছে এবং নিজের অংশীদারদের পাশে থাকবে। ব্রিটেনের সেরা সামরিক শক্তির একাংশ এখন মধ্যপ্রাচ্যের আকাশ রক্ষায় নিয়োজিত রয়েছে।’
সংবাদ সম্মেলনে জন হিলিকে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের একটি মন্তব্য নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। হেগসেথ ব্রিটিশ নৌবাহিনীর ক্ষমতা নিয়ে ইঙ্গিত করে বলেছিলেন, একসময় একটি ‘বিশাল ও ভয়ংকর রয়্যাল নেভি’ ছিল। এর জবাবে হিলি কোনো বিতর্কে না জড়িয়ে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র আমাদের এক অনন্য ও ঘনিষ্ঠ মিত্র।’
বিশ্লেষকরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মুখে নিজেদের মিত্রদের আশ্বস্ত করতেই যুক্তরাজ্য তড়িঘড়ি করে তিন দেশে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠানোর ঘোষণা দিল। এর মাধ্যমে দেশপি এই অঞ্চলে তার প্রভাব এবং সক্রিয় উপস্থিতি বজায় রাখার বার্তা দিল।
সময়ের আলো/এআর