শান্তি ফেরাতে ৫ দফা প্রস্তাব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ আগ্রাসনের ৩২তম দিনে গতকাল ইসফাহান প্রদেশে সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। পাশাপাশি ক্যানসার ওষুধ উৎপাদনকারী

2026-04-01T00:37:10+00:00
2026-04-01T00:37:10+00:00
 
  রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬,
৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
আন্তর্জাতিক
শান্তি ফেরাতে ৫ দফা প্রস্তাব
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৩৭ এএম 
চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এবং পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার। ছবি : সংগৃহীত
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ আগ্রাসনের ৩২তম দিনে গতকাল ইসফাহান প্রদেশে সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। পাশাপাশি ক্যানসার ওষুধ উৎপাদনকারী একটি কারখানা এবং একটি মানসিক হাসপাতালও আক্রান্ত হয়েছে। 

এদিকে কুয়েতের একটি তেলবাহী জাহাজে ইরানের পাল্টা হামলার পর দুবাই বন্দরে আগুন লাগার ঘটনাও আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে। 

এমন পরিস্থিতিতে চীন ও পাকিস্তান মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরাতে যৌথভাবে পাঁচ দফা প্রস্তাব ঘোষণা করেছে। 

যুক্তরাষ্ট্র গতকাল বলেছে, তারা চুক্তির মধ্য দিয়ে যুদ্ধের অবসান চায়। 

জানা গেছে, হুরমুজ পরিস্থিতির সুরাহা না হলেও যুদ্ধ আর টেনে নিতে চায় না যুক্তরাষ্ট্র। সে দেশের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল মিত্র দেশগুলোকে হুরমুজ প্রণালি দখল করে নিজেদের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পরামর্শ দিয়েছেন। 

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরাতে চীন ও পাকিস্তানের ৫ দফা ঘোষণা : ইরান এবং পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে ‘শান্তি ও স্থিতিশীলতা’ ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে একটি যৌথ ৫ দফা উদ্যোগ ঘোষণা করেছে চীন ও পাকিস্তান। 

বেইজিংয়ে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এবং পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকের পর এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

শান্তি ফেরাতে ঘোষিত ৫টি দফা হলো : 

ক. সংঘাত নিরসনে অবিলম্বে সব ধরনের বৈরিতা বা যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে এবং এই সংঘাত যাতে নতুন কোনো অঞ্চলে ছড়িয়ে না পড়ে, তা নিশ্চিত করতে হবে। 

খ. ইরান ও উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে যত দ্রুত সম্ভব শান্তি আলোচনা শুরু করতে হবে। এই আলোচনা প্রক্রিয়া সফল করতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে দুই দেশ। 

গ. বেসামরিক নাগরিক এবং কোনো অসামরিক স্থাপনা বা লক্ষ্যবস্তুর ওপর হামলা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। 

ঘ. আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হুরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। 

ঙ. জাতিসংঘের সনদ বা ইউএন চার্টারের সঙ্গে সংগতি রেখে একটি পূর্ণাঙ্গ ও দীর্ঘমেয়াদি শান্তি কাঠামো প্রতিষ্ঠা করতে হবে। 

চীনের সিনহুয়া নিউজ এজেন্সি এবং পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই ৫ দফা উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে বর্তমান সংকটের একটি টেকসই সমাধান নিশ্চিত করা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে এই প্রস্তাবনা বিবেচনার জন্য আহ্বান জানিয়েছে দুই বন্ধুপ্রতিম দেশ।

সামরিক স্থাপনা, ক্যানসার ওষুধের কারখানা, মানসিক হাসপাতালে হামলা : ইরানের ইসফাহান প্রদেশে গতকাল ব্যাপক বোমা হামলার খবর পাওয়া গেছে। 

প্রদেশটির গভর্নরের কার্যালয়ের নিরাপত্তা কর্মকর্তা আকবর সালেহি জানিয়েছেন, প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী হামলাগুলো বেশ কিছু ‘সামরিক স্থাপনা’ লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে। 

আধাসরকারি সংবাদ সংস্থা ফারস নিউজকে সালেহি বলেন, নির্দিষ্ট কোন কোন স্থানে হামলা হয়েছে তা এখনও জানানো হয়নি। এ ছাড়া এই হামলায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বা কেউ হতাহত হয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ইসফাহান প্রদেশ ইরানের প্রতিরক্ষা শিল্পের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কেন্দ্র। এখানে নাতাঞ্জ পারমাণবিক কেন্দ্রসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনা রয়েছে। এ ছাড়া বদর বিমানঘাঁটি, ৮ম শিকারি বিমানঘাঁটি এবং ৪র্থ বিমান বাহিনীর ঘাঁটির মতো বড় বড় সামরিক স্থাপনাগুলোও এই প্রদেশেই অবস্থিত।

বোমা হামলায় একটি ক্যানসার প্রতিরোধী ওষুধ তৈরির কারখানা এবং একটি মানসিক হাসপাতাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করেছে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম। চিকিৎসা কেন্দ্র ও জনস্বাস্থ্য অবকাঠামোয় এমন হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থাগুলো। 

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরআইবি জানায়, মঙ্গলবার দেশটির অন্যতম বৃহৎ ক্যানসার এবং অ্যানেস্থেটিক ওষুধ উৎপাদনকারী কারখানায় হামলা চালানো হয়।

এর আগে সোমবার রাতে তেহরানে নবনির্মিত ‘দেলরাম সিনা সাইকিয়াট্রিক হসপিটাল’ (মানসিক হাসপাতাল) লক্ষ্য করে বড় ধরনের হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা আইআরএনএ। 

হাসপাতালের পরিচালক জানান, হামলার সময় সেখানে অন্তত ৩০ জন রোগী চিকিৎসাধীন ছিলেন। হামলায় হাসপাতালটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এই হামলার বিষয়ে মন্তব্য জানতে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য একটি চুক্তির মাধ্যমে এই যুদ্ধের সমাপ্তি : ইরান যুদ্ধের গতিপ্রকৃতি নির্ধারণে আগামী কয়েক দিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী পিট হেগসেথ। 

মঙ্গলবার পেন্টাগনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য হলো একটি চুক্তির মাধ্যমে এই যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটানো।

হেগসেথ বলেন, আমাদের কাজ হলো ইরানকে এটা বোঝানো যে, তারা যদি একটি চুক্তিতে পৌঁছায় তবেই এই বর্তমান শাসনব্যবস্থার জন্য তা মঙ্গলজনক হবে। আমরা সেই লক্ষ্যেই কাজ করছি, তবে কোনো চুক্তি সম্ভব না হলে আমরা যুদ্ধ চালিয়ে যেতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।

যুক্তরাষ্ট্রের এই অবস্থানকে তিনি ‘বোমা মেরে আলোচনা’ হিসেবে অভিহিত করেন। অর্থাৎ, আলোচনার টেবিল খোলা রাখলেও সামরিক অভিযান পুরোদমে চলবে।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, ইরানে মার্কিন সামরিক লক্ষ্যগুলো কখন পূরণ হয়েছে এবং কখন একটি চুক্তিতে পৌঁছানো মার্কিন জনগণের স্বার্থরক্ষা করবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন এককভাবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ইরানে সম্ভাব্য স্থল অভিযানের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে হেগসেথ বলেন, মার্কিন সামরিক বাহিনীর সক্ষমতার ওপর ট্রাম্পের পূর্ণ আস্থা রয়েছে। 

তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে আমরা সব ধরনের সামরিক বিকল্প ব্যবহার করতে পারি, আবার হয়তো করার প্রয়োজন নাও হতে পারে। আমাদের রণকৌশল হবে অনিশ্চিত, যাতে শত্রু পক্ষ আগে থেকে কিছু বুঝতে না পারে।

ন্যাটো মিত্রদের সমালোচনা করে হেগসেথ বলেন, সংকটের সময় তারা সাহায্য না করে উল্টো যুক্তরাষ্ট্রকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোরও উচিত এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ (হুরমুজ প্রণালি) রক্ষায় এগিয়ে আসা।

পরিশেষে তিনি জোর দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এই যুদ্ধের এমন একটি সমাপ্তি চায়, যা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের শর্ত অনুযায়ী হবে এবং মার্কিন স্বার্থ পুরোপুরি রক্ষা করবে।

মিত্রদের হুরমুজ প্রণালি দখলের পরামর্শ ট্রাম্পের : যুক্তরাজ্যসহ যে দেশগুলো হুরমুজ প্রণালির সংকটের কারণে পর্যাপ্ত জ্বালানি বা জেট ফুয়েল পাচ্ছে না, তাদের ওপর তীব্র ক্ষোভ ঝেড়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। 

নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই দেশগুলোকে ‘সাহস সঞ্চয়’ করে হুরমুজ প্রণালিতে গিয়ে তা সরাসরি ‘দখল করার’ পরামর্শ দেন।

মঙ্গলবার ট্রাম্প তার পোস্টে লিখেছেন, যুক্তরাজ্যের মতো যেসব দেশ ইরানকে পর্যুদস্ত করার অভিযানে অংশ নিতে অস্বীকার করেছিল কিন্তু এখন প্রণালির পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি পাচ্ছে না, তাদের প্রতি আমার পরামর্শ বিলম্বে হলেও কিছুটা সাহস সঞ্চয় করুন, প্রণালিতে যান এবং সেটি সরাসরি দখল করে নিন।

মধ্যপ্রাচ্যগামী মার্কিন বিমানকে সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারে ইতালির বাধা : মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশে রওনা হওয়া যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বিমানকে সিসিলির একটি সামরিক ঘাঁটিতে নামার অনুমতি দেয়নি ইতালি কর্তৃপক্ষ। ইতালীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে এই তথ্য জানা গেছে।

ইতালির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আরএআই মঙ্গলবার জানিয়েছে, দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রী গুইডো ক্রসেত্তো সিগোনেলা ঘাঁটি ব্যবহারের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের একটি অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছেন। বিমানগুলো মাঝআকাশে থাকাকালে এই অনুরোধ জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে এই ফ্লাইটের জন্য আগে থেকে কোনো অনুমতি চাওয়া হয়নি বা ইতালির সামরিক নেতৃত্বের সঙ্গে কোনো পরামর্শ করা হয়নি। ফ্লাইটগুলো মাঝআকাশে থাকা অবস্থায় বিষয়টি জানানো হয়। 

কিন্তু তদন্তে দেখা গেছে, এগুলো সাধারণ কোনো লজিস্টিক ফ্লাইট ছিল না, যার ফলে ইতালির সঙ্গে বিদ্যমান চুক্তির আওতায় একে ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া সম্ভব হয়নি।

ইতালির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র সিএনএনের কাছে এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন, তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

ইরান ও প্রতিবেশীদের স্বাভাবিক সম্পর্ক চায় না যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল : রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ অভিযোগ করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইল ইরান ও তার প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে সম্পর্কের স্বাভাবিকীকরণ চায় না।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী ল্যাভরভ বলেন, তেল ও গ্যাস সম্পদের ওপর আরও বেশি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যেই মূলত বিভিন্ন দেশে ‘শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের’ প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে।

রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও সতর্ক করে বলেন যে, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান সংকট নিরসন না হলে এটি একটি বৃহত্তর আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নিতে পারে। সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর মধ্যকার উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে না এলে পরিস্থিতির আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

লেবাননে হিজবুল্লাহর সঙ্গে সংঘর্ষে ৪ ইসরাইলি সেনা নিহত : 

লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের সঙ্গে ইসরাইলি বাহিনীর লড়াইয়ে চারজন ইসরাইলি সেনা নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন আরও দুজন।

মঙ্গলবার সেনাবাহিনীর এক বিবৃতিতে একই ব্যাটালিয়নের নিহত তিন সেনার নাম প্রকাশ করে বলা হয়, তারা ‘যুদ্ধের সময় নিহত’ হয়েছেন। আরেকটি পৃথক বিবৃতিতে বলা হয়, একই ঘটনায় আরও একজন সেনা নিহত ও দুজন আহত হয়েছেন। তবে তাদের নাম প্রকাশ করা হয়নি।

ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, খুব কাছ থেকে হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের সঙ্গে আইডিএফ সেনাদের গুলি বিনিময় হয়। এতে হিজবুল্লাহর কয়েকজন সদস্যও হতাহত হয়েছেন।

ইরানে মার্কিন-ইসরাইলি যৌথ আগ্রাসনের পর গত ২ মার্চ ইসরাইল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে। এরপর থেকে এ পর্যন্ত ১০ জন ইসরাইলি সেনা নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। 

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মধ্য ইসরাইলে আহত অন্তত ১১ : 

মঙ্গলবার সকালে ইরান থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে মধ্য ইসরাইলের বিভিন্ন স্থানে অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন। ইসরাইলি জরুরি সেবা সংস্থার বরাত দিয়ে দেশটির সংবাদমাধ্যম এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই হামলায় তেল আবিবসহ মধ্য ইসরাইলের বনেই ব্রাক এবং পেতাহ তিকভা এলাকার বেশ কয়েকটি স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। 

ইরানের শর্ত ও জাতীয় স্বার্থরক্ষা হলেই কেবল যুদ্ধ শেষ হবে : 

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, ইরানের দেওয়া শর্ত এবং জাতীয় স্বার্থরক্ষা হলেই যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলি শাসনের চাপিয়ে দেওয়া এই যুদ্ধ বন্ধের যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সোমবার প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানের সভাপতিত্বে ইরানের মন্ত্রিসভার একটি বৈঠক হয়।


  বিষয়:   ইরান  যুক্তরাষ্ট্র  ইসরাইল  চীন  পাকিস্তান 


Loading...
Loading...
আন্তর্জাতিক- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: