প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে মুদ্রাস্ফীতি হবে না, বরং স্থানীয় অর্থনীতি আরও শক্তিশালী এবং সচল হবে।
তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে প্রাথমিক পর্যায়ে ৩৭ হাজার ৮১৪টি পরিবারের নারী প্রধানকে ভাতা প্রদান করা হয়েছে। বর্তমান অর্থবছরে তিন মাসে আরও ৩০ হাজার পরিবারকে এ কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। পাশাপাশি আগামী চার বছরে ৪ কোটি পরিবার পর্যায়ক্রমে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আসবে।
বুধবার (১ মার্চ) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমপির প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিশ্চয়ই তারা সিঙ্গাপুরে টাকা পাচার করবে না। বরং স্বাবলম্বী হওয়ার পথ খুলবে। বিভিন্ন উপায়ে কর্মসংস্থান বাড়বে।
তারেক রহমান আরও বলেন, ২ লাখ ৭৫ হাজার মতো কৃষক রয়েছে। আমরা আগামী কয়েক বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে সব কৃষকের হাতে ফার্মার্স কার্ড পৌঁছে দেবো।
প্রধানমন্ত্রী বক্তব্যের শুরুতে তার সংসদীয় এলাকা ঢাকা ১৭ আসনের ভোটারদেরকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, যারা আমাকে ভোট দেননি, সংসদে তাদের প্রতিনিধিত্বও আমি করব।
তারেক রহমান জানান, শ্রমিকদের জন্য শ্রমিক কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনা নেই। কিন্তু শ্রমিক ফেডারেশনের টাকা যাতে যথাযথভাবে শ্রম কল্যাণে ব্যয় হয়, সেদিকে নজর রাখব।
এফআর