ইরানের হামলায় আমেরিকার একের পর এক যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। এরই জের ধরে আরও বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতি শুরু করেছে আমেরিকা। তবে এবার তাদের অস্ত্রভান্ডারের সবচেয়ে ভয়ানক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করার পরিকল্পনা করছে বলে জানিয়েছে আমেরিকার বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন।
বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন বলছে, মার্কিন অস্ত্রভান্ডারের সবচেয়ে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ইতোমধ্যেই ইরানের দিকে তাক করে রেখেছে।
তারা বলছে, আমেরিকা এ বার জেএএসএসএম-ইআর ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করতে পারে ইরানের বিরুদ্ধে। মার্চের শেষ থেকেই এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলি মোতায়েন করা শুরু করেছে তারা। আমেরিকার অস্ত্রভান্ডারে মোট ২৩০০টি জেএসএসএম-ইআর ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। যার মধ্যে বেশির ভাগই ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহারের জন্য মোতায়েন করা হয়েছে। এই ক্ষেপণাস্ত্র এক একটি তৈরিতে খরচ হয় সাড়ে ১২ কোটি টাকা।
জানা গেছে, আমেরিকার এই ক্ষেপণাস্ত্র শত্রুপক্ষের নজর এড়িয়ে নিখুঁত নিশানায় হামলা করতে সক্ষম। এর ধ্বংসাত্মক ক্ষমতা বিপুল। ১০০০ কিলোমিটার দূরত্বের লক্ষ্যবস্তুতে হামলা করতে পারে, তা-ও আবার বিপক্ষের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার চোখে ধুলো দিয়ে।
তবে মাঝারি পাল্লারও এই ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে আমেরিকার হাতে। যার দুই-তৃতীয়াংশ ইতোমধ্যেই ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহার করে ফেলেছে আমেরিকা। মাঝারি পাল্লার জেএসএসএম ক্ষেপণাস্ত্র ৪০০ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে।
প্রসঙ্গত, শুক্রবার আমেরিকার দু’টি যুদ্ধবিমানকে গুলি করে নামানোর দাবি করেছে ইরান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিমান খোয়ানোর কথা কার্যত স্বীকারও করে নিয়েছেন।
কিন্তু একইসঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, ইরান যদি আলোচনার টেবিলে না বসে, তাহলে এবার তাদের অস্ত্রভান্ডারের সবচেয়ে ভয়ানক অস্ত্র প্রয়োগ করা হবে।
সেই হুঁশিয়ারির মধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে, মার্চের শেষ থেকেই দূরপাল্লার জেএসএসএম-ইআর ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করা শুরু করেছে আমেরিকা।
/ইউএমএইচ