তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের সঙ্গে ইস্তাম্বুলে বৈঠকের পর ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, তিনি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসতে প্রস্তুত।
ইউক্রেনজুড়ে রাশিয়ার হামলা আরও তীব্র হয়েছে। খারকিভ অঞ্চলের একাধিক শহর ও গ্রামে সামরিক অভিযানে প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। সুমি অঞ্চলে ড্রোন হামলায় শিশুসহ অনেকে আহত হয়েছেন। দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের নিকোপোলের একটি বাজারে ড্রোন আঘাতে কয়েকজন নিহত ও বহু মানুষ আহত হন। দোনেৎস্কেও হতাহতের খবর পাওয়া গেছে।
ইউক্রেনের দাবি, এক রাতেই প্রায় তিন শতাধিক ড্রোন নিক্ষেপ করেছে রাশিয়া, যার বেশিরভাগই ভূপাতিত বা নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। তবে কিছু ড্রোন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় আঘাত হেনে ক্ষয়ক্ষতি করেছে।
জবাবে রাশিয়ার রোস্তভ অঞ্চলে হামলা চালিয়েছে ইউক্রেনীয় বাহিনী। এতে হতাহত ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া আজভ সাগরে একটি কার্গো জাহাজেও আগুন লাগে।
এমন পরিস্থিতিতে ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত বৈঠকে প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান আবারও রাশিয়া-ইউক্রেন সংলাপের আহ্বান জানান।
তিনি কৃষ্ণসাগরে নিরাপদ নৌ চলাচল ও জ্বালানি সরবরাহের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে ইউক্রেনের সঙ্গে বাণিজ্য ও নিরাপত্তা সহযোগিতা বাড়ানোর কথাও তুলে ধরেন।
এ প্রেক্ষাপটে জেলেনস্কি জানান, তিনি ‘যেকোনো ফরম্যাটে’ রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে আগ্রহী।
তুরস্কের মধ্যস্থতায় ইস্তাম্বুলে আলোচনা আয়োজনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করছে কিয়েভ।
সময়ের আলো/আরবিএন