মানবাধিকার কমিশন ও গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশে অনীহা উদ্বেগজনক

নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয়

মানবাধিকার কমিশন গঠন এবং গুম প্রতিরোধে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রণীত অধ্যাদেশ দ্রুত আইনে পরিণত করতে অনাগ্রহ দেখানোকে উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেছে

2026-04-06T17:59:20+00:00
2026-04-06T18:22:26+00:00
 
  রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬,
৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
জাতীয়
টিআইবি
মানবাধিকার কমিশন ও গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশে অনীহা উদ্বেগজনক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৫৯ পিএম  আপডেট: ০৬.০৪.২০২৬ ৬:২২ পিএম
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন ড. ইফতেখারুজ্জামান। সংগৃহীত ছবি
মানবাধিকার কমিশন গঠন এবং গুম প্রতিরোধে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রণীত অধ্যাদেশ দ্রুত আইনে পরিণত করতে অনাগ্রহ দেখানোকে উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান অভিযোগ করেছেন, এসব গুরুত্বপূর্ণ আইনি উদ্যোগ নিয়ে অবহেলা করা হচ্ছে।

সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে টিআইবির কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, মানবাধিকার কমিশন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং গুম প্রতিরোধে কার্যকর আইনের অভাবে মানুষের জীবন কতটা দুর্বিষহ হয়ে উঠতে পারে, তা অতীতে স্পষ্ট হয়েছে। তার দাবি, এসব অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও সংশ্লিষ্টরা এখনো এর গুরুত্ব অনুধাবন করতে ব্যর্থ হচ্ছেন, যা আরও উদ্বেগের জন্ম দিচ্ছে।

ইফতেখারুজ্জামান ছাড়াও টিআইবির পরিচালক মুহাম্মদ বদিউজ্জামান, উপদেষ্টা অধ্যাপক ড সুমাইয়া খায়ের উপস্থিত ছিলেন। এসময় টিআইবি পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ, জাতীয় উপাত্ত ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ বাতিলের সুপারিশ করেছে।

ইফতেখারুজ্জামান বলেন, দেশে একটি কার্যকর মানবাধিকার কমিশন প্রতিষ্ঠা এবং গুম প্রতিরোধে অন্তর্বর্তী সরকার প্রণীত অধ্যাদেশগুলো এখনই পাশ করতে আগ্রহী নয়; বরং পরে করতে আগ্রহী। প্রশাসনিক স্বাধীনতা খর্ব, নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে তদন্তে বাধা ও বিচারিক ক্ষমতাকে নির্বাহী ক্ষমতায় রুপান্তর এসব বিষয়কে সামনে রেখে অধ্যাদেশ সমূহকে অনিশ্চয়তায় ফেলে দেওয়া হয়েছে।


ইফতেখারুজ্জামান বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে যাচাই-বাছাই করে জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি গত ২ এপ্রিল মোট ৯৮টি অধ্যাদেশ হুবহু আইনে পরিণত করার জন্য সুপারিশ করেছে, যা সাধুবাদ পাবার যোগ্য। তবে আইনে পরিণত হতে যাওয়া সব অধ্যাদেশের সবই দুর্বলতাহীন নয়, এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে উদ্দেশ্যমূলকভাবে দুর্বল করা হয়েছে। যেমন- সরকারি হিসাব নিরীক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫, স্থানীয় সরকার-সংক্রান্ত ৪টি সংশোধনী অধ্যাদেশও রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, স্থানীয় সরকার-সংক্রান্ত চারটি সংশোধনী অধ্যাদেশও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণের দুর্বলতায় দুষ্ট। মূলত জুলাই অভ্যুত্থানের পর বিশেষ পরিস্থিতিতে স্থানীয় সরকার; যেমন-সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, জেলা পরিষদ ও উপজেলা পরিষদে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের বরখাস্ত করা এবং প্রশাসক নিয়োগের ক্ষমতা পায় সরকার। যেখানে বিশেষ পরিস্থিতি ও জনস্বার্থে সরকার এই ক্ষমতা প্রয়োগ করার কথা বলা হয়। কিন্তু নির্বাচিত সরকারও নিজের ইচ্ছেমতো সরিয়ে দেওয়ার ক্ষমতাকে স্বাভাবিকতায় পরিণত করেছে, যা গণতান্ত্রিক রীতিনীতির পরিপন্থি।

সময়ের আলো/আআ


  বিষয়:   মানবাধিকার  কমিশন  গুম  প্রতিরোধ  অধ্যাদেশ  অনীহা  উদ্বেগজনক 


Loading...
Loading...
জাতীয়- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: