মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিয়েছে ইসরাইল ও লেবানন। যুক্তরাষ্ট্রে আয়োজিত এক ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের পর দুই দেশ সরাসরি আলোচনায় বসতে সম্মত হয়েছে। এ বিষয়ে একটি ‘পূর্ণাঙ্গ শান্তি চুক্তি’র আশাবাদ ব্যক্ত করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
এ খবর নিশ্চিত করেছে সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) ওয়াশিংটনে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঞ্চালনায় বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে লেবাননের রাষ্ট্রদূত নাদা হামাদেহ এবং ইসরাইলি রাষ্ট্রদূত ইয়েচিয়েল লেইটার অংশ নেন।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট এক বিবৃতিতে জানান, উভয় পক্ষ একটি নির্দিষ্ট সময় ও স্থানে সরাসরি আলোচনায় বসতে একমত হয়েছে। ইসরাইল লেবাননের অভ্যন্তরে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে নিরস্ত্র করা এবং উগ্রবাদী অবকাঠামো ধ্বংসের বিষয়ে সমর্থন জানিয়েছে। তাদের মতে, সরাসরি আলোচনার মাধ্যমেই দুই দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, লেবানন তাদের সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি এবং ২০২৪ সালের চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে। একই সঙ্গে চলমান মানবিক সংকট মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে দেশটি।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর আশা করছে, এই আলোচনা ২০২৪ সালের চুক্তির তুলনায় আরও বিস্তৃত হবে এবং একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তির পথ তৈরি করবে।
উল্লেখ্য, দক্ষিণ লেবাননে সংঘাত তীব্র আকার ধারণের মধ্যেই এই আলোচনার ঘোষণা এলো। ফলে এই কূটনৈতিক উদ্যোগ বাস্তুচ্যুত লাখো মানুষের ঘরে ফেরার পথ কতটা সুগম করবে, তা এখন দেখার বিষয়।