ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন আইনজীবী মাধবী মার্মা। তাকে নিয়ে বিতর্ক ওঠেছে সামাজিকমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে। তার অতীত রাজনৈতিক ও পেশাগত সম্পৃক্ততা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০০৯ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের নিযুক্ত বান্দরবান জেলার সহকারী সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মাধবী। পরবর্তীতে ২০১৫ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের মনোনয়নে নোটারি পাবলিক হিসেবে নিয়োগ পান। সবশেষ অন্তবর্তী সরকারের সময় ছিলেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষের সদস্য।
সোমবার (২০ এপ্রিল) ঘোষিত সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থীদের তালিকায় অ্যাডভোকেট মাধবী মারমার নাম অন্তর্ভুক্ত করেছে বিএনপি। নেতাকর্মীদের অভিযোগ, অতীতে ভিন্ন রাজনৈতিক অবস্থানে থাকা এবং বিগত সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত ব্যক্তিদের মনোনয়ন দেওয়ার ক্ষেত্রে আরও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন ছিল মনে করেন তারা।
বিএনপির একাধিক নেতাকর্মী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সুবিধাভোগী হিসেবে পরিচিতদের মনোনয়ন দেওয়া হলে তৃণমূল পর্যায়ে নেতিবাচক বার্তা যেতে পারে এবং এতে দলের রাজনৈতিক অবস্থান দুর্বল হতে পারে। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে মাধবী মার্মাকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
আরও পড়ুন
এর আগে একই তালিকায় থাকা সুবর্ণা শিকদারকে নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়। অভিযোগ রয়েছে, তিনি কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক পদে ছিলেন, যদিও তিনি দাবি করেছেন- তার অনুমতি ছাড়াই সে কমিটিতে নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিলো।
এ প্রসঙ্গে বিএনপির মনোনয়ন বোর্ডের সদস্য ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এমপি সময়ের আলোকে বলেন, আমরা যাদেরকে মনোনয়ন দিয়েছি বুঝেশুনেই দিয়েছি। ভুল হলেও সবকিছু জেনেশুনে দিয়েছি। রাজনীতে অনেক কিছু অনেক সময় পরিস্থিতির কারণে করতে হয়। এর বাইরে আমার কোনো বক্তব্য নেই।
এএডি/