বাজারে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ও মব সন্ত্রাস নিয়ে সংসদে ক্ষোভ

সংসদ প্রতিবেদক

জাতীয়

দেশে একের পর এক ‘মব সন্ত্রাস’ বা গণপিটুনির ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিষ্টার রুমিন ফারহানা। জ্বালানী

2026-04-20T19:41:35+00:00
2026-04-20T19:41:35+00:00
 
  রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬,
৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
জাতীয়
বাজারে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ও মব সন্ত্রাস নিয়ে সংসদে ক্ষোভ
সংসদ প্রতিবেদক
প্রকাশ: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৪১ পিএম 
জাতীয় সংসদ। ছবি : সংগৃহীত
দেশে একের পর এক ‘মব সন্ত্রাস’ বা গণপিটুনির ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিষ্টার রুমিন ফারহানা। জ্বালানী তেলসহ বাজারে নিত্যপণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন এই স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য। এর আগে নিজের জানমালের নিরাপত্তা নিয়ে সংসদে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেন এনসিপির সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসুদ।

সোমবার (২০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে তিনি অভিযোগ করেন, গত দেড় বছর ধরে দেশ কার্যত: ‘মব-এর শহরে’ পরিণত হয়েছে।

জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংসদ সদস্য হান্নান মাসুদের উত্থাপিত বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে। যদি ঘটনাগুলো সত্য হয়ে থাকে, তবে তা অত্যন্ত দুঃখজনক। সরকার অপরাধীদের ছাড় দেবে না। তবে, সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা বা জিডি করতে হবে। তিনি আরো বলেন, অভিযোগ দায়ের করা হলে পুলিশ দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। কেবল সংসদ সদস্য হান্নান মাসউদ নন, হাউজের যেকোনো সদস্য যদি এধরণের পরিস্থিতির শিকার হন বা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন, তবে তা যেন তাৎক্ষণিকভাবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা স্থানীয় থানাকে অবহিত করা হয়। সরকার দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর এবং সংসদ সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে বিশেষ অধিকার সংক্রান্ত নোটিশ উত্থাপন করে সংসদ সদস্য হান্নান মাসুদ বলেন, আমি একটি দুর্গম দ্বীপাঞ্চল থেকে নির্বাচিত হয়েছি, যেখানে ভূমিদস্যু ও জলদস্যুদের রাজত্ব চলছে। নির্বাচনের আগে ও পরে মিলিয়ে আমি অন্তত পাঁচবার সরাসরি হামলার শিকার হয়েছি। এমনকি আমার জন্য মসজিদে দোয়া করায় ইমামের ওপর নৃশংস হামলা চালানো হয়েছে, যিনি গত দেড় মাস ধরে চিকিৎসাধীন। আমাকে সরাসরি অস্ত্র হাতে কোপাতে আসার ভিডিও এবং প্রমাণাদি থাকা সত্ত্বেও সন্ত্রাসীদের রাজনৈতিক শেল্টারে রাখা হচ্ছে। ফেসবুক লাইভে এসে প্রতিনিয়ত হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে এবং এলাকায় প্রবেশে বাধা দেওয়া হচ্ছে।
আরও পড়ুন

তিনি প্রশ্ন তোলেন, একজন সংসদ সদস্য হয়েও যদি আমি ও আমার নেতাকর্মীরা নিরাপদ না থাকেন, তবে সাধারণ মানুষের অবস্থা কী? তার গাড়িতে এখনো সন্ত্রাসীদের দেওয়া কোপের দাগ রয়েছে এবং বিটিভির সাংবাদিককে কুপিয়েছে এমন চিহ্নিত আসামীরাও প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। ঘটনাটি সংসদীয় তদন্তের পাশাপাশি নিজের ও তার কর্মীদের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের জোরালো হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

এ বিষয়ে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল বলেন, সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসুদ তার জানমাল, সম্মান ও মর্যাদা রক্ষায় যে নোটিশটি দিয়েছেন তা অত্যন্ত গুরুত্বের দাবি রাখে। নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের পরবর্তী সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্তদের দেখতে গেলে তার ওপর প্রাণঘাতী হামলা হয় এবং ২৯ মার্চ সংসদে দেওয়া বক্তব্যের জেরে তাকে অনলাইনে অশালীন ভাষায় আক্রমণ ও হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। একজন সংসদ সদস্যের ওপর এ ধরনের হামলা ও হুমকি কোনোভাবেই কাম্য নয়। সংসদ সদস্যের উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে কার্যকর এবং দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নির্দেশনা দেন তিনি।

এরপর জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ মনোযোগ আকর্ষণীয় নোটিশে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা দেশে একের পর এক ‘মব সন্ত্রাস’ বা গণপিটুনির ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর থেকে শুরু করে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সমিতি, কোথাও আজ জননিরাপত্তা নিশ্চিত নেই। সরকারি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের প্রধানদের মব করার পাশাপাশি বরিশাল আদালত প্রাঙ্গণ এবং সুপ্রিম কোর্টের লয়ার্স রুমেও মবের ঘটনা ঘটেছে, যা বিচার ব্যবস্থার মর্যাদাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। এছাড়া ডেইলি স্টার অফিসে হামলা, চট্টগ্রামে দেড় বছর আগে ছিনতাইকারী সন্দেহে পিটিয়ে হত্যা এবং কুষ্টিয়ায় পীরকে পিটিয়ে মারার মতো নৃশংস ঘটনাগুলো আমাদের সামাজিক অবক্ষয়ের চিত্রই তুলে ধরছে।

রুমিন ফারহানা বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কয়েক দফা আশ্বস্ত করেছিলেন, দেশে মব কালচার থাকবে না এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধ হবে। কিন্তু বাস্তবে একটির পর একটি ঘটনা ঘটেই চলেছে। মানুষ যখন ন্যায়বিচার পায় না, তখনই তারা এই ধরণের নৈরাজ্যকর দিকে ধাবিত হয়। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির অভাব মব কালচারকে উসকে দিচ্ছে। এ কারণে মানুষের মধ্যে তীব্র হতাশা ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। সর্বোপরি অপরাধের বিচার না হওয়ার সংস্কৃতি, এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী। দেড় বছর আগে চট্টগ্রামে যে ব্যক্তিটিকে পিটিয়ে মারা হয়েছিল, তার বিচার এখন পর্যন্ত হয়নি। জননিরাপত্তা রক্ষায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

এছাড়া প্রশ্নোত্তর পর্বে জ্বালানী তেলসহ বাজারে নিত্যপণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতেও জাতীয় সংসদে ক্ষোভ প্রকাশ করেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। তিনি জানতে চান, দীর্ঘদিন ধরে দেশে মূল্যস্ফীতি ডাবল ডিজিটে ছিল, যা এখনো খাদ্য দ্রব্যের ক্ষেত্রে ৯ শতাংশের উপরে। এই মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনো পদক্ষেপ আছে কি না জানতে চান তিনি। জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর জানান, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি দেশের মূল্যস্ফীতির জন্য দায়ী নয়। আন্তর্জাতিক বাজারের তুলনায় বাংলাদেশে জ্বালানির মূল্য অত্যন্ত মডারেট বা সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। এতে মূল্যস্ফীতি ‘সেভাবে বাড়বে না’। তার ভাষ্য, বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে জ্বালানির দাম তুলনামূলক কম হারে বাড়ানো হয়েছে; উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয়ের হিসাবে এর প্রভাবও সীমিত।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, মূল্যস্ফীতি কেন বাড়ছে, সেটি আমাদের বুঝতে হবে। সারা পৃথিবীতে জ্বালানি তেলের দাম যে অনুপাতে বেড়েছে, তার তুলনায় বাংলাদেশে সেটি অনেক কম। আমরা জ্বালানির দাম খুবই মডারেট হারে বাড়িয়েছি। পৃথিবীর অনেক দেশে জ্বালানি তেলের দাম পরিবর্তনের প্রক্রিয়াটি স্বয়ংক্রিয় (অটোমেটেড)। সেখানে সরকারের আলাদা পদক্ষেপের প্রয়োজন হয় না। আমেরিকায় যুদ্ধের আগে সেখানে গ্যালনপ্রতি দাম ২ ডলার ৭০-৮০ সেন্ট থাকলেও তা পরে ৫ ডলার ছাড়িয়েছে। তিনি আরো বলেন, একটি শিল্প কারখানায় মোট উৎপাদন খরচের মাত্র ৭ থেকে ৮ শতাংশ ব্যয় হয় জ্বালানির পেছনে। সেখানে ডিজেলের দাম ১৫ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। অর্থাৎ, উৎপাদন খরচের সেই ৭-৮ শতাংশের ওপর ১৫ শতাংশ প্রভাব পড়েছে, যা খুব বড় কোনো অভিঘাত নয়।

পরিবহন খাতের উদাহরণ টেনে মন্ত্রী বলেন, একটি বাস ২০০ কিলোমিটার চলতে ২৫-৩০ লিটার ডিজেল ব্যবহার করে। এতে খরচ বেড়েছে ৪৫০ টাকা। এই ৩০ লিটার ডিজেলের জ্বালানি দিয়ে যে ট্রাকটি পণ্য পরিবহন করে, সেটি ১০ হাজার কেজি পণ্য বহন করতে পারে। অর্থাৎ, এই ৪৫০ টাকার প্রভাব ১০ হাজার কেজি পণ্যের ওপর পড়ে। শুনলে মনে হতে পারে দাম অনেক বেড়েছে, কিন্তু পরিবাহিত পণ্যের ইউনিটের ভিত্তিতে হিসাব করলে এটি মূল্যস্ফীতি ঘটানোর মতো কোনো বড় উদ্দীপক নয়।

রুমিন ফারহানার আরেক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর জানান, বর্তমান বিশ্বে ২১টি দেশে বাংলাদেশের ২৪টি বাণিজ্যিক উইং রপ্তানি সম্প্রসারণে কাজ করে যাচ্ছে। রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণ ও বিনিয়োগ আকর্ষণ করে আমদানি-রপ্তানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার প্রাচ্য, দূরপ্রাচ্য, ইউরোপ, আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র, অর্থনৈতিক জোট ও অঞ্চলের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক, বহুপাক্ষিক পর্যায়ে কৌশলগত ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট (এফটিএ) গঠনে অগ্রাধিকার দিয়েছে। জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষা নিশ্চিত করে কৃষি, শিল্প ও সেবা খাতের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে পর্যায়ক্রমে শুল্ক হ্রাস, অশুদ্ধ বাধা কমানো, বাজার প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তি ও বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদার করা হবে, যাতে অর্থনীতি দীর্ঘমেয়াদে টেকসইভাবে এগিয়ে যায়।

সরকারি দলের সদস্য মো. শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার ধারাবাহিকভাবে নীতিমালা মূল্যায়ন ও পর্যালোচনা করছে এবং স্বল্প ও মধ্যমেয়াদে এর প্রভাব কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে। নিয়মিত মূল্যায়নের পাশাপাশি সরকার বাস্তবমুখী পদক্ষেপ বাস্তবায়নে গুরুত্ব দিচ্ছে, যাতে বাহ্যিক ধাক্কা অর্থনীতির ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করতে না পারে। সরবরাহ ব্যয় কমানোকে একটি প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে বর্তমানে চলমান অস্থিরতা জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধিতে ভূমিকা রয়েছে। এছাড়া আমদানি ব্যয়, শিপিং ও বীমা খরচ বৃদ্ধি, মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে রফতানি হ্রাস, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং রেমিট্যান্স প্রবাহে চ্যালেঞ্জ সৃষ্টির আশংকা তৈরি করেছে।

খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক অস্থিরতা (ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সামরিক উত্তেজনা) বৈশ্বিক অর্থনীতি ও বাণিজ্যে প্রভাব ফেলার সম্ভাবনা রয়েছে, এবং বাংলাদেশও তার ব্যতিক্রম নয়। মধ্যপ্রাচ্য বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য অংশীদার। বাংলাদেশ হতে প্রধানত তৈরি পোশাক, ওষুধ, হিমায়িত খাদ্য ও চামড়াজাত ইত্যাদি পণ্য সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত ও ওমান এর বাজারে রফতানি হয়ে থাকে। মন্ত্রী বলেন, চলমান সংকট মোকাবিলায় সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং জাতীয় পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

বর্তমান খাদ্যশস্যের মজুত সন্তোষজনক:
সরকারি খাদ্যগুদামে বর্তমান খাদ্যশস্যের মজুত সন্তোষজনক উল্লেখ করে খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী সংসদকে জানান, আসন্ন বোরো সংগ্রহ মৌসুমে (আগামী মে থেকে আগস্ট পর্যন্ত) অভ্যন্তরীণ সংগ্রহের আওতায় ১২ লাখ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল, ১ লাখ মেট্রিক টন আতপ চাল ও ৫ লাখ মেট্রিক টন ধান কেনার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। টাঙ্গাইল-৭ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকীর প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের সরকারি খাদ্য গুদামে বর্তমানে ১৭ দশমিক ৭১ লাখ মে. টন খাদ্যশস্য মজুদ রয়েছে। এরমধ্যে চাল-১৪ দশমিক ৬৪ লাখ মে. টন ও গম-৩ দশমিক ৭ লাখ মে.টন।

মন্ত্রী বলেন, সরকারি খাদ্যগুদামে বর্তমান খাদ্যশস্যের মজুত সন্তোষজনক। তবে খাদ্য মজুত বৃদ্ধিতে সরকার জি-টু-জি পদ্ধতি ও উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে বিদেশ থেকে চাল-গম আমদানি এবং অভ্যন্তরীণভাবে বোরো ও আমন মৌসুমে খাদ্য অধিদপ্তরের সহিত চুক্তিবদ্ধ রাইস মিল থেকে চাউল এবং কৃষি সহায়ক কার্ডধারী প্রকৃত কৃষকদের থেকে  ধান ও গম সরকার নির্ধারিত মূল্যে সংগ্রহ করা হয়ে থাকে।

মন্ত্রী বলেন, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে আন্তর্জাতিক দরপত্রে ৫ লাখ মে.টন ও জি-টু-জি পদ্ধতিতে ১ লাখ মে.টন মোট ৬ লাখ মেট্রিক টন চুক্তির বিপরীতে ৩ দশমিক ৫৭ লাখ মেট্রিক টন চাউল পাওয়া গেছে। অবশিষ্ট ২ দশমিক ৪৩ লাখ মেট্রিক টন চাউল আগমনের অপেক্ষায় রয়েছে।

এএডি/


  বিষয়:   বাজার  অস্বাভাবিক  মূল্যবৃদ্ধি  মব  সন্ত্রাস  সংসদ  ক্ষোভ 


Loading...
Loading...
জাতীয়- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: