নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে এক কোটি বৈদেশিক কর্মসংস্থান সৃষ্টি কর্মপরিকল্পনায় নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক।
সোমবার (২০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি জানান, এর অংশ হিসেবে সরকারের ১৮০ দিনের একটা রোডম্যাপ (ছয় মাসের পরিকল্পনা) এবং পর্যায়ক্রমে পাঁচ বছরে বাস্তবায়নের টার্গেট রয়েছে।
বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্য মো. মাজেদুর রহমানের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুঃখজনক যে আমরা সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরেই ইরান, ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্রের একটা যুদ্ধের মধ্যে পড়ে গেছি। যার ফলে দেশের শ্রমবাজারের একটি বড় জায়গা মধ্যপ্রাচ্য, সেই জায়গাটি সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে। একই দিকে আবার আমাদের একটা বড় দ্বিতীয় শ্রমখাত হিসেবে মালয়েশিয়া আমাদের কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ। সেই বাজারটি দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল। কিছুদিন আগেই আমাদের মন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সফর করে মালয়েশিয়া সরকারের সঙ্গে একটা ভালো ফলপ্রসূ আলাপ-আলোচনা করেছেন, আশা করি এই বাজারটি খুব শিগগিরই খুলে যাবে।
আরও পড়ুন
একই প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, থাইল্যান্ডেও আমাদের একটা ভালো সম্ভাবনা, কম্বোডিয়াতেও আমরা কাজ করছি। এই সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরে বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নিয়েছি, আশা করি তার সুফল অন্তত ছয় মাসের মধ্যে দৃশ্যমান হবে।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, খাদ্যাভ্যাস ও পরিবেশের মিল থাকায় কর্মজীবীদের পছন্দের জায়গা মালয়েশিয়া। তা আমাদের শ্রমবাজারের বড় জায়গাও বটে। কিন্তু বিভিন্ন জটিলতার কারণে এটি বন্ধ আছে। এই (প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান) মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মালয়েশিয়া সফর করেছেন এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে ইতিবাচক আলাপ-আলোচনা হয়েছে। খুব দ্রুতই বাংলাদেশিদের জন্য মালয়েশিয়ার পথটুকু খুলে যাবে। আশা করি খুব দ্রুতই একটি ফলাফল আমরা পাবো।
কবে নাগাদ শ্রমবাজার খুলবে- এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নির্দিষ্টভাবে দিন-তারিখ বলা যাবে না। কারণ এটি মালয়েশিয়া সরকারের বিষয়, তবে আমরা প্রস্তুত আছি। প্রশিক্ষণসহ আমাদের লোকবল প্রস্তুত আছে। মালয়েশিয়া থেকে সংকেত পেলেই এখান থেকে কর্মী যাওয়া শুরু হবে।
এএডি/