ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত ও যুদ্ধবিরতি নিয়ে নিজেদের অবস্থান আরও কঠোর করেছে যুক্তরাষ্ট্র। হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরানের নেতৃত্ব বর্তমানে খণ্ডবিখণ্ড হয়ে পড়েছে এবং একটি টেকসই শান্তি প্রস্তাব তৈরির জন্য তাদের আরও সময়ের প্রয়োজন। এই পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটেই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট জানিয়েছেন, ইরানের বন্দরগুলোতে মার্কিন নৌ-অবরোধ আগের মতোই বলবৎ থাকবে। এই অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের কৌশলটি কার্যকর হচ্ছে দাবি করে তিনি বলেন, অবরোধের ফলে ইরান প্রতিদিন গড়ে ৫০ কোটি ডলারের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। বিশেষ করে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ খার্গ দ্বীপের তেল টার্মিনালগুলো স্থবির হয়ে পড়েছে। তেল আমদানি-রপ্তানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ইরান সরকার এখন তাদের নিজ দেশের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন দিতেও হিমশিম খাচ্ছে।
মার্কিন প্রশাসনের এই কঠোর অবরোধের বিষয়টিকে যুদ্ধ ঘোষণার শামিল হিসেবে দেখছে তেহরান। অন্যদিকে ইরানও সাফ জানিয়ে দিয়েছে, তারা হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেবে না। দুই পক্ষের এমন অনড় অবস্থানে পুরো বিষয়টি এখন এক অচলাবস্থার দিকে মোড় নিয়েছে।
তবে হোয়াইট হাউস দাবি করেছে, সামগ্রিক পরিস্থিতি বর্তমানে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং এই অর্থনৈতিক কৌশলের মাধ্যমেই তারা ইরানকে আলোচনার টেবিলে আনতে সক্ষম হবে। বর্ধিত এই যুদ্ধবিরতির সুনির্দিষ্ট কোনো শেষ সময়সীমাও আপাতত ঘোষণা করেনি ওয়াশিংটন।
/কহু