শুক্রবার ভোরবেলা তিলোত্তমা কলকাতার ঘুম ভাঙল গঙ্গার ঘাটে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে। এদিন হুগলি নদীর বুকে নৌকাবিহারে বের হন নরেন্দ্র মোদি। চোখে রোদচশমা, হাতে ক্যামেরা, কখনো ফ্রেমবন্দি করছেন গঙ্গার ঘাট, আবার কখনো দেখছেন হাওড়া ও বিদ্যাসাগর সেতুর স্থাপত্য।
নীল পানির ওপর নৌকায় বসে নিভৃতে সময় কাটানোর সেই ছবি নিজেই সমাজমাধ্যমে সবার সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী। নির্বাচনি প্রচারের ব্যস্ততা সরিয়ে গঙ্গার মাহাত্ম্য নিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন প্রধানমন্ত্রী। তিনি লিখেছেন, ‘প্রতিটি বাঙালির কাছে গঙ্গা একটি বিশেষ স্থান অধিকার করে রয়েছে। এটা বলাই যায় যে, গঙ্গা বাংলার আত্মা দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।’
কলকাতার এই নদী সফরের অভিজ্ঞতা নিয়ে মোদি জানান, হুগলি নদীর বুকে কিছুটা সময় কাটিয়ে তিনি গঙ্গাকে কৃতজ্ঞতা জানানোর সুযোগ পেয়েছেন। প্রাতভ্রমণকারী ও নৌকার সওয়ারিদের সঙ্গেও এদিন কথা বলেন তিনি। সফরের শেষ লগ্নে বাংলার উন্নয়ন নিয়ে বড় বার্তা দিয়েছেন মোদি। তার কথায়, ‘আমরা উন্নত পশ্চিমবঙ্গ এবং বাঙালির উন্নতির জন্য যে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ, সে কথা হুগলির ওপর আরও এক বার উল্লেখ করছি।’
বৃহস্পতিবার মথুরাপুর ও কৃষ্ণনগরের সভা এবং হাওড়ার রোড শো সেরে রাজভবনে (অধুনা লোকভবন) রাত্রিবাস করেছিলেন মোদি। এর মাঝে বেলুড় মঠে গিয়েও কিছুটা সময় কাটান। সুযোগ পেলেই কলকাতায় এসে বেলুড় মঠে গিয়ে পুজো, ধ্যান করেন মোদি। তবে এবার এই প্রথম তিনি গঙ্গাবিহার করলেন।
সময়ের আলো/আআ