বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় মিরপুরে দেলোয়ার হোসেন হত্যা মামলায় অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর রিমান্ড শুনানিতে উঠে আসে ২০০৭ সালের ‘ওয়ান/ইলেভেন’ সময়কার নানা বিতর্কিত প্রসঙ্গ। আসামি পক্ষ বিষয়টি অস্বীকার করে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুল ইসলামের আদালতে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
শুনানির এক পর্যায়ে রাষ্ট্রপক্ষ দাবি করে, ২০০৭ সালের সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়কার ঘটনাপ্রবাহে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। এমনকি সে সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ তারেক রহমানকে নির্যাতনের ঘটনায়ও তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ আনা হয়। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
আরও পড়ুন
তাছাড়া এসব অভিযোগকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে রিমান্ড বাতিল ও জামিনের আবেদন করেন আসামিপক্ষ। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর জামিনের আবেদন নাকচ করে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
গত ২৩ মার্চ রাজধানীর বারিধারা ডিওএইচএস এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার হন অবসরপ্রাপ্ত এ লেফটেন্যান্ট জেনারেল। পরে তাকে ২৪ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও মানব-পাচারসংক্রান্ত মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয় এবং একাধিক দফায় রিমান্ডে নেওয়া হয়। সর্বশেষ ৭ এপ্রিল মিরপুরের দেলোয়ার হোসেন হত্যা মামলায় তাকে নতুন করে রিমান্ডে পাঠানো হয়।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে মিরপুর-১০ নম্বর এলাকায় আন্দোলন চলাকালে হামলার ঘটনায় দেলোয়ার হোসেন গুরুতর আহত হন এবং পরে হাসপাতালে মারা যান। ওই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তাকে আসামি করা হয়েছে।
এএডি/