সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলে ছাত্রদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষ

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজনীতি

রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজে ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় কলেজ প্রশাসন ৯ সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত

2026-04-28T00:09:45+00:00
2026-04-28T00:09:45+00:00
 
  রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬,
৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
রাজনীতি
সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলে ছাত্রদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষ
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০৯ এএম 
শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ। ছবি : সময়ের আলো
রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজে ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় কলেজ প্রশাসন ৯ সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

জানা যায়, গত শনিবার ‘সোহরাওয়ার্দী ডে-২০২৬’ উপলক্ষ্যে অধ্যক্ষের কক্ষে আয়োজিত এক আলোচনাকালে ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়, যা পরে হাতাহাতিতে রূপ নেয়। এ সময় অধ্যক্ষসহ বিভিন্ন বিভাগের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র জানায়, আসন্ন কর্মসূচিতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। অভিযোগ রয়েছে, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর আইন বিষয়ক সম্পাদক ডা. এম. আর. হাসানের অনুসারীরা শুরু থেকেই অনুষ্ঠানের বিভিন্ন বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে আসছিলেন। এমনকি আমন্ত্রিত শিল্পী প্রীতম হাসানের ম্যানেজারকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে।

কলেজ ছাত্রদলের কয়েকজন নেতা দাবি করেন, অধিকাংশ বৈঠকে অনুপস্থিত থেকেও ডা. হাসান পূর্বে মীমাংসিত বিষয়গুলো পুনরায় সামনে এনে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করে তোলেন এবং প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে ডা. হাসানের অনুসারী ১৭ ব্যাচের শিক্ষার্থী সাইফ আলী এবং ১২ ব্যাচের শিক্ষার্থী ইফতেখার আহমেদ শিহাবের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়।

ইফতেখার আহমেদ শিহাব ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ডা. আউয়ালের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। পরবর্তীতে অধ্যক্ষ ও উপস্থিত শিক্ষকদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি আংশিক নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে অভিযোগ রয়েছে, এরপরও একটি পক্ষ মব সৃষ্টির চেষ্টা চালায়।

ইফতেখার আহমেদ শিহাব বলেন, ঘটনাটিকে একপাক্ষিকভাবে উপস্থাপন করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের আবেগ ব্যবহার করে ক্যাম্পাসে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করা হয়েছে।

এদিকে, ঘটনার তদন্তে একাডেমিক কাউন্সিল ৯ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করেছে। কমিটির প্রধান করা হয়েছে হেমাটোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মির্জা গোলাম সারোয়ারকে। কমিটিকে দুই সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. আঈনুল ইসলাম খান বলেন, একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঘটনার পর থেকে মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বিরাজ করছে।


  বিষয়:   রাজধানী  শহীদ  সোহরাওয়ার্দী  মেডিকেল  কলেজ  ছাত্রদল 


Loading...
Loading...
রাজনীতি- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: