ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মো. সরওয়ার বলেছেন, গত দুই দিনে ১৫২ জন চাঁদাবাজকে আটক করা হয়েছে। রাজনৈতিক পরিচয় যার যাই হোক না কেন, এদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
রোববার (৩ মে) সকালে রাজধানীর মিন্টু রোডস্থ ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই জানিয়েছেন তিনি।
ডিএমপির কমিশনার বলেন, চাঁদাবাজ, মাদক কারবারি ও মাদকের নেপথ্যে মূল হোতা, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী এবং অনলাইন জুয়াড়িদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করা হয়েছে। গত ১ মে থেকে এ চার শ্রেণির অপরাধীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করা হয়েছে। রাজধানী ঢাকার নাগরিকদের নিরাপত্তা, স্বস্তি এবং শান্তিপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করা ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ অঙ্গীকার। এ অঙ্গীকার বাস্তবায়নে বিশেষ সাঁড়াশি অভিযান জোরদার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশব্যাপী আইন শৃঙ্খলার উন্নয়ন এবং অপরাধ দমনের অংশ হিসেবে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ চাঁদাবাজি, মাদক কারবারি, অবৈধ অস্ত্রধারী, সন্ত্রাসী ও অনলাইন জুয়াড়িসহ অপরাধ নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি সমন্বিত নিরাপত্তা কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য একটাই, অপরাধ চক্রের মূল উৎপাটন করে নাগরিক জীবনের স্বস্তি ফিরিয়ে আনা এবং ঢাকা মহানগরকে আরও নিরাপদ নগরীতে পরিণত করা। চিহ্নিত অপরাধপ্রবণ এলাকায় বিশেষ অভিযান এবং আকস্মিক ব্লক রেড পরিচালনা, ক্ষেত্রবিশেষে চেকপোস্ট এবং গোয়েন্দার নজরদারি ও সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে অপরাধীদের পালানোর পথ বন্ধ করা হচ্ছে। সন্দেহভাজন আসামিদের তাৎক্ষণিক যাচাই বাছাই করে স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত বিচারে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তির ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
যারা বড় অপরাধী তাদেরকে নরমাল প্রসিডিউর অনুযায়ী মামলা করে আদালতে প্রেরণ করা হচ্ছে। এছাড়াও, ডিবি, সিসিটিসির সাদা পোশাকের সদস্য, সাইবার মনিটরিং টিম এবং আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে অপরাধীদের গতিবিধি নজরদারিতে রাখা হচ্ছে। অনলাইন জুয়া, প্রতারণা এবং সংগৃহীত অপরাধে প্রযুক্তিভিত্তিক তদন্ত জোরদার করা হয়েছে।
সময়ের আলো/আআ