‘সংকট উত্তরণে গণমাধ্যমের টেকসই অর্থনৈতিক মডেল দরকার’

নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয়

বর্তমান সংকট উত্তরণে গণমাধ্যমের টেকসই অর্থনৈতিক মডেল দরকার বলে মনে করেন বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসের আলোচনায় বক্তারা। তারা বলেন, সরকার

2026-05-03T20:33:05+00:00
2026-05-03T20:53:34+00:00
 
  শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬,
১৯ আষাঢ় ১৪৩৩
শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬
জাতীয়
‘সংকট উত্তরণে গণমাধ্যমের টেকসই অর্থনৈতিক মডেল দরকার’
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: রোববার, ৩ মে, ২০২৬, ৮:৩৩ পিএম  আপডেট: ০৩.০৫.২০২৬ ৮:৫৩ পিএম
সংগৃহীত ছবি
বর্তমান সংকট উত্তরণে গণমাধ্যমের টেকসই অর্থনৈতিক মডেল দরকার বলে মনে করেন বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসের আলোচনায় বক্তারা। তারা বলেন, সরকার বা অন্য কোনো গোষ্ঠীর আর্থিক সহায়তার ওপরে নির্ভরশীল হয়ে পড়লে গণমাধ্যমের স্বাধীনভাবে কম্প্রোমাইজ হবে। সে জন্যই আর্থিক স্বাধীনতার পথ বের করতে হবে। পজিশন ধরে রাখতে যে সম্পাদকরা মালিকদের সঙ্গে আপস করছেন তাদেরকেও দায়িত্বশীল হয়ে পেশার পক্ষে দাঁড়াতে হবে। তা না হলে ভবিষ্যৎ অন্ধকার।

রোববার (৩ মে) গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন সংগঠনের আলোচনায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

এদিন বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস-২০২৬ উপলক্ষে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সম্পাদক পরিষদ ও নিউজ পেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এক আলোচনা সভার আয়োজন করে। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যৎ গঠন: মানবাধিকার, উন্নয়ন ও নিরাপত্তার জন্য সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রসার।’

আলোচনা সভায় একটি স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশনের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, অবশ্যই একটা তো গণমাধ্যম কমিশন লাগবেই। কারণ, সরকার তো এখানে আসলে একটা পক্ষ। গণমাধ্যম-জগতের যে তৎপরতা, আমরা দেখেছি, সরকার নিজেই তো অপরাধ করে ফেলে। ফলে এ রকম সম্ভাবনা যে জগতে বিরাজ করে, সেই জগতে গণমাধ্যম কমিশনের মতো এ রকম প্রতিষ্ঠান তো লাগবেই। আধুনিক দেশগুলোতে যতটা আমরা দেখেছি, ইতিমধ্যে কিন্তু তারা এ ধরনের কর্তৃপক্ষ বা এ ধরনের অথরিটি তৈরি করেছে। 
আরও পড়ুন

গণমাধ্যম খাতের জবাবদিহি, নীতিনির্ধারণ এবং বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য একটি স্বাধীন ও গ্রহণযোগ্য কমিশন প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে প্রথম ধাপে একটি পরামর্শ কমিটি গঠন করা হবে, যেখানে সাংবাদিক, সম্পাদক, মালিক ও গণমাধ্যম বিশেষজ্ঞরা যুক্ত থাকবেন।

জহির উদ্দিন বলেন, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের বিস্তার এবং প্রচলিত গণমাধ্যমের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একটি সমন্বিত কাঠামো জরুরি। প্রস্তাবিত কমিশন এই দুই ক্ষেত্রেই নীতিগত দিকনির্দেশনা দিতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের চ্যালেঞ্জের কথা তুলে ধরে তথ্যমন্ত্রী বলেন, এই খাতে নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা মূলত বৈশ্বিক প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর হাতে। ফলে জাতীয় পর্যায়ে সমাধান খোঁজা জটিল। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা পর্যালোচনা করে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মকে কীভাবে দায়বদ্ধতার আওতায় আনা যায়, তা নিয়ে কাজ চলছে। এ জন্য বিশেষজ্ঞদের সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

বক্তব্যে গণমাধ্যমের ভেতরের কিছু কাঠামোগত সমস্যার কথাও তুলে ধরেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী। টেলিভিশনের টার্গেট রেটিং পয়েন্ট (টিআরপি) ও পত্রিকার প্রচার সংখ্যা নির্ধারণ পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, কিছু সীমিত উপাত্তের ভিত্তিতে জাতীয় মানদণ্ড নির্ধারণ করা হচ্ছে, যা বাস্তবতার সঙ্গে সব সময় সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। গণমাধ্যম খাতকে শুধু ব্যবসা হিসেবে দেখা উচিত নয়; সমাজ গঠনে এর ভূমিকা বিবেচনায় রেখে নীতিগত সহায়তার বিষয়েও সরকার ভাবছে। সভায় তিনি গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্টদের গঠনমূলক মতামত ও সমালোচনা সরাসরি সরকারকে জানানোর আহ্বানও জানান।



এ আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সম্পাদক পরিষদের সভাপতি ও নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবীর। সম্পাদক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও বণিক বার্তার সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদের সঞ্চালনায় এতে আরও বক্তব্য দেন নোয়াব সভাপতি ও মানবজমিন পত্রিকার প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, দ্য ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম, সাবেক গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রধান কামাল আহমেদ, প্রথম আলোর নির্বাহী সম্পাদক সাজ্জাদ শরিফ, কালের কণ্ঠ সম্পাদক ও জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ, ইনকিলাব সম্পাদক এ এম এম বাহাউদ্দীন, ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস সম্পাদক শামসুল হক জাহিদ, সমকাল সম্পাদক শাহেদ মুহাম্মদ আলী, সময়ের আলোর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, দৈনিক সংবাদের নির্বাহী সম্পাদক শাহরিয়ার করিম, ঢাকা ট্রিবিউন সম্পাদক রিয়াজ আহমেদ।

এছাড়া রাজধানীর তথ্য ভবন মিলনায়তনে ‘বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে  তথ্যমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যম একটি বিশাল ও জটিল ইকোসিস্টেম। তাই সরকার একা কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিতে চায় না। বিনা অপরাধে কোনো সাংবাদিক কারাগারে থাকবে না। নীতিগতভাবে সকল সাংবাদিককে আইনের আওতায় পেশাগত নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দেবে সরকার। মানহানি মামলাসহ অন্যান্য আইনি জটিলতাগুলো প্রেস কাউন্সিলের মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনায় আনা হবে।’

সভায় আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আব্দুল হাকিম।  অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. এস এম শামীম রেজা। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. শাহ আলম। পিআইবি’র মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন তথ্য অধিদফতরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ; বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক কামাল উদ্দিন মজুমদার (সবুজ) এবং সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল বাছির (বাছির জামাল)।

এছাড়া রাজধানীর ধানমন্ডিতে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে  ইউনেস্কো ও ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) এক আলোচনা সভার আয়োজন করে। এ  আলোচনা সঞ্চালনা করেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান। অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা ইউনেস্কোর বাংলাদেশ প্রতিনিধি সুজান ভাইজ। এতে আরও অংশ নেন  দ্য ডেইলি স্টারের কনসাল্টিং এডিটর কামাল আহমেদ, যমুনা টিভির সিইও ফাহিম আহমেদ, ঢাকা ট্রিবিউনের সম্পাদক রিয়াজ আহমেদ, সাংবাদিক শাহনাজ মুন্নি প্রমুখ।

এ আলোচনায় গণমাধ্যমকে শক্তভাবে সরকারের বিরুদ্ধে যৌক্তিক সমালোচনা করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বলেন, আপনারা প্রত্যেকে খুব স্ট্রংলি সরকারের যেকোনো ধরনের সমালোচনা, যৌক্তিক সমালোচনা কন্টিনিউ করবেন। এই দেশে একটা দুর্দান্ত ভাইব্রান্ট মিডিয়া আবার তৈরি হবে, এটা আমি দেখতে চাই। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের গণমাধ্যমের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়ানো বোকামি। এ কারণে বর্তমান সরকার এমন কিছু করতে চায় না, যা গণমাধ্যমের সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট করবে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া ফটোকার্ডের শিকার হয়েছি উল্লেখ করে  তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, আমি নাকি বলেছি, জনগণের কল্যাণের জন্যই বেশি বেশি লোডশেডিং দিচ্ছে সরকার। একটা ফটোকার্ড আমার বন্ধুরা পাঠিয়ে বলছে, আমার মাথা কি গেল? এই ফটোকার্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করার সময় আমাকে ট্যাগ করে গালিও দেওয়া হয়। মূলধারার গণমাধ্যমে এ ধরনের মিস ইনফরমেশন বা ডিজইনফরমেশন সংবলিত ফটোকার্ড ছড়িয়ে দেওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়েছে। এটা খুবই দুঃখজনক।

একটি মূলধারার গণমাধ্যম আমার বক্তব্যকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে ‘ফেক নিউজ’ তৈরি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করে  জাহেদ উর রহমান বলেন, ফেক নিউজ করা অন্যায়। এর বিরুদ্ধে সরকার আইনি পথে ও ন্যায্যতার সঙ্গে ব্যবস্থা নেবে এবং গণমাধ্যমকেও এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে হবে।

গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সঙ্গে দ্রুত বৈঠক করে বাস্তবায়নযোগ্য পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, দ্রুত বাস্তবায়নযোগ্য যেসব পদক্ষেপ আছে, সেগুলো নিয়ে আলোচনা করা হবে।

আলোচনায় ৫ আগস্টের পর আটক সাংবাদিকদের মুক্তির দাবি জানান গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। এ বিষয়ে তথ্য উপদেষ্টা জানান, নোয়াবের (নিউজ পেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ) সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে এই বিষয় উঠে আসে এবং প্রধানমন্ত্রী নিজে এটিকে গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নিয়েছেন।

নারীর প্রতি সাইবার সহিংসতা পর্যবেক্ষণে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে একটি বিশেষ সেল গঠনের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান জাহেদ উর রহমান। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সমন্বয়ে এই সেল কাজ করবে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, নারীদের প্রতি সাইবারের ক্ষেত্রে আমরা জেনুইন গ্রাউন্ডে খুবই টাফ হতে যাচ্ছি।’ রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তথ্য উপদেষ্টা। বিটিভির বার্ষিক বাজেট ৩২০ কোটি টাকার বেশি, অথচ প্রতিষ্ঠানটি আয় করে মাত্র ১৫ থেকে ১৬ কোটি টাকা। বেসরকারি গণমাধ্যমের বিকাশের এই সময়ে বিটিভি পুনর্মূল্যায়নের প্রয়োজন আছে বলে মনে করেন তিনি। তিনি বলেন, সরকার বিটিভিকে এমনভাবে গড়ে তুলবে যেন তা জনগণের কল্যাণে আসে।

অনুষ্ঠানে দ্য ডেইলি স্টারের কনসাল্টিং এডিটর কামাল আহমেদ বলেন, গণমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতা তলানিতে, কারণ গণমাধ্যম যথেষ্ট স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেনি। এই স্বাধীনতার ওপরে আঘাত এসেছে দুটো দিক থেকে। একটি হলো বিগত স্বৈরশাসনের নিয়ন্ত্রণ ও ভয়ভীতি। অন্যটি হলো অর্থনৈতিক কারণ। মালিকদের প্রভাব ও কর্পোরেট স্বার্থ। কিছু কিছু গণমাধ্যমের মালিকের প্রভাব ও নিয়ন্ত্রণের কারণে সম্পাদকেরা স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না।

উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী যখন অর্থ পাচার বা ঋণখেলাপিদের তালিকা প্রকাশ করেন, তখন কিছু কিছু গণমাধ্যম সেই তালিকা হুবহু ছাপায় না। অথবা নিজেদের মালিকের নাম বাদ দিয়ে বাকিদের নাম প্রকাশ করে। এমন যখন ঘটে, তখন বিশ্বাসযোগ্যতা কোথায় গিয়ে ঠেকবে? সরকার বা অন্য কোনো গোষ্ঠীর আর্থিক সহায়তার ওপরে নির্ভরশীল হয়ে পড়লে গণমাধ্যমের স্বাধীনভাবে কম্প্রোমাইজ হবে। সে জন্যই আর্থিক স্বাধীনতার পথ বের করতে হবে। তা না হলে ভবিষ্যৎ অন্ধকার।

এএডি/


  বিষয়:   সংকট  উত্তরণ  গণমাধ্যম  টেকসই  অর্থনৈতিক  মডেল  দরকার 


Loading...
Loading...
জাতীয়- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: