রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে চলা জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন ২০২৬-এর দ্বিতীয় অধিবেশনে গুরুত্ব পেয়েছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রকল্পসমূহ।
সোমবার (৫ মে) মাঠ প্রশাসনের সক্রিয় অংশগ্রহণে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রাখা এবং চলমান আবাসন প্রকল্পগুলো দ্রুত শেষ করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে এই সভায়।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
এতে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান এবং প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন জেলার জেলাপ্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
আরও পড়ুন
মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব ফিল্ড অফিস না থাকায় মাঠ প্রশাসনের ওপর নির্ভরশীলতার কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেন মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব ফিল্ড অফিস না থাকায় প্রকল্প বাস্তবায়ন মূলত মাঠ প্রশাসনের মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়। এ কারণে ডিসিদের সঙ্গে এই ধরনের ইন্টারেক্টিভ সেশন অত্যন্ত ফলপ্রসূ।
অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের সাথে প্রশ্নে প্রতিমন্ত্রী জানান, বীর নিবাস প্রকল্পের আওতায় ৩০ হাজার ঘর নির্মাণের লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে ইতোমধ্যে ১৭ হাজার ৮০৬টি সম্পন্ন হয়েছে। অবশিষ্ট ঘরগুলোর নির্মাণ কাজ দ্রুত শেষ করার আশ্বাস দেন তিনি। এছাড়া বিগত সময়ের অনিয়ম প্রসঙ্গে তিনি কড়া হুঁশিয়ারি করে বলেন।
অতীতের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগগুলো নিয়ে সরকার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে। ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে, তা নিশ্চিত করা হবে।
এছাড়াও ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা অধিবেশনে তুলে ধরা হয়। এসব কার্যক্রম বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসকদের সর্বাত্মক সহযোগিতার আহ্বান জানানো হয়।
মুক্তিযুদ্ধের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখতে মন্ত্রণালয়কে আরও জনবান্ধব করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নতুন পরামর্শগুলো কাজে লাগিয়ে আগামী দিনে কাজের গতি আরও ত্বরান্বিত করা হবে।
এএডি/