কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের শিলেরছড়া এলাকায় বিপন্ন প্রজাতির মূল্যবান ‘মাদার ট্রি’ ঢাকিজাম গাছ কেটে ফেলার ঘটনায় নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি ঘটার কয়েকদিন পেরিয়ে গেলেও বনবিভাগের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ায় সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উখিয়া রেঞ্জের উখিয়া সদর বিটের আওতাধীন শিলেরছড়া এলাকায় সড়কের পাশের গুরুত্বপূর্ণ একাধিক ঢাকিজাম গাছ পরিকল্পিতভাবে কেটে ফেলে একটি সংঘবদ্ধ চক্র। ঘটনার প্রমাণ নষ্ট করতে গাছগুলোর শেকড় পর্যন্ত পুড়িয়ে দেওয়া হয়। পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এসব গাছ নিধনের ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভ ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বনবিভাগের পক্ষ থেকে অস্বাভাবিক গড়িমসি করা হচ্ছে। গোপন সূত্রের দাবি, কথিত ভিলেজার ছৈয়দ আকবর ওরফে ‘কালাসোনা’ গাছ কাটার পেছনে প্রভাবশালী মদদদাতা হিসেবে কাজ করছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, তিনি বনবিভাগের কিছু কর্মকর্তার আস্থাভাজন হওয়ায় তার বিরুদ্ধে কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।
এদিকে, উখিয়া সদর বিট কর্মকর্তা আব্দুল মান্নানের বিরুদ্ধে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় পরিবেশপ্রেমী ও সচেতন নাগরিকরা। তাদের দাবি, মাঠ পর্যায়ের অভিযুক্তদের রক্ষা করতেই পুরো বিষয়টি আড়াল করার চেষ্টা চলছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বিট কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান স্পষ্ট কোনো জবাব না দিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যান, যা নিয়ে সন্দেহ আরও জোরালো হয়েছে।
অন্যদিকে অভিযুক্ত ছৈয়দ আকবর ওরফে ‘কালাসোনা’ এ বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে প্রতিবেদককে অর্থ দেওয়ার প্রস্তাব দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তিনি অসাধু কিছু কর্মকর্তার সহায়তায় এলাকায় বিভিন্ন অবৈধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছেন।
/এসএকে