মিরপুরের শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের বড় সংগ্রহের জবাবে ব্যাট করতে নেমে নিজেদের শক্তিমত্তার জানান দিচ্ছে সফরকারী পাকিস্তান। অভিষেক টেস্ট স্মরণীয় করে রাখতে প্রথম ইনিংসেই তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করেছেন তরুণ ওপেনার আজান আওয়াইস। তবে সেঞ্চুরিয়ান আজান ও অধিনায়ক শান মাসুদকে দ্রুত বিদায় করে ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা চালাচ্ছে বাংলাদেশ।
প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ৪১৩ রানের পাহাড়সম সংগ্রহের জবাবে উড়ন্ত সূচনা পায় পাকিস্তান। দ্বিতীয় দিন শেষে ১ উইকেট হারিয়ে ১৭৯ রান করা সফরকারীরা রোববার (১০ মে) তৃতীয় দিনের শুরুতেই আজানের ব্যাটে শতকের দেখা পায়। মাত্র ১৫৩ বলে ১০৩ রানের ইনিংস খেলে আজান যখন সাজঘরে ফেরেন, তখন পাকিস্তানের স্কোরবোর্ডে দ্বিতীয় উইকেটের পতন ঘটে। অফ স্টাম্পের বাইরের বল খেলতে গিয়ে স্লিপে নাজমুল হোসেন শান্তর তালুবন্দী হন তিনি। এর আগে উদ্বোধনী জুটিতে ইমাম উল হকের সঙ্গে ১০৬ এবং দ্বিতীয় উইকেটে ফজলের সঙ্গে ১০৪ রানের দুটি গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন এই তরুণ।
আজানের বিদায়ের পর উইকেটে থিতু হতে পারেননি পাকিস্তান অধিনায়ক শান মাসুদও। তাসকিন আহমেদের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হওয়ার আগে ব্যক্তিগত ৯ রানে সাদমান ইসলামের হাতে ধরা পড়েন তিনি। এর ফলে ২২৬ রানেই তৃতীয় উইকেট হারায় অতিথিরা। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ এখনো ১৮৭ রানে এগিয়ে থাকলেও ফজলের হাফ-সেঞ্চুরি লড়াকু পুঁজির ইঙ্গিত দিচ্ছে।
এর আগে দ্বিতীয় দিনে পাকিস্তানের প্রথম উইকেটের পতন ঘটিয়েছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ৪৫ রান করা অভিজ্ঞ ইমাম উল হককে ফিরিয়ে ব্রেক-থ্রু এনে দেন তিনি। বর্তমানে স্বাগতিক বোলারদের লক্ষ্য দ্রুত বাকি উইকেটগুলো তুলে নিয়ে বড় লিড নিশ্চিত করা। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, পাকিস্তানের রান তাড়া অব্যাহত রয়েছে এবং উইকেটে ফজল দৃঢ়তার সঙ্গে ব্যাটিং চালিয়ে যাচ্ছেন।