সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক যাত্রাবাড়ী ও মিরপুর থানায় জুলাই আন্দোলনের প্রেক্ষিতে করা আরও দুটি হত্যা মামলায় জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন।
মঙ্গলবার (১২ মে) বিচারপতি কে এম জাহিদ সরওয়ার কাজল ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এই আবেদনের ওপর শুনানি হবে।
এর আগে যুবদলকর্মী হত্যা, রায় জালিয়াতি ও দুদকের মামলাসহ মোট পাঁচটি মামলায় হাইকোর্ট তাকে জামিন দিয়েছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষ ওই জামিন স্থগিতের আবেদন করলেও গত ২৮ এপ্রিল প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ তা খারিজ করে দেন। ফলে ওই পাঁচ মামলায় তার জামিন বহাল থাকে। তবে এর মধ্যেই নতুন করে আরও দুটি হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
গত বছরের ২৪ জুলাই ধানমন্ডির বাসভবন থেকে খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার রায় জালিয়াতি, প্লট জালিয়াতি ও আন্দোলনে নিহতের ঘটনায় বেশ কয়েকটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলাগুলোর মধ্যে রাজধানীর শাহবাগ, যাত্রাবাড়ী এবং নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা ও বন্দর থানায় করা পৃথক অভিযোগ রয়েছে।
এ বি এম খায়রুল হক ২০১০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর দেশের ১৯তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান এবং ২০১১ সালের মে মাসে অবসরে যান। পরবর্তী সময়ে তিনি তিন মেয়াদে আইন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন এবং নতুন মামলাগুলোতে নিম্ন আদালতে জামিন না পেয়ে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।
সময়ের আলো/জেডি