বাংলাদেশের সভাপতিত্বে ডি-৮ সদস্য দেশগুলোর বৈঠক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

উন্নয়নশীল আটটি মুসলিম দেশের অর্থনৈতিক জোট ডেভেলপিং-৮ বা ডি-৮ সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও

2026-05-12T19:19:50+00:00
2026-05-12T19:19:50+00:00
 
  সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬,
১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬
আন্তর্জাতিক
বাংলাদেশের সভাপতিত্বে ডি-৮ সদস্য দেশগুলোর বৈঠক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ৭:১৯ পিএম 
সংগৃহীত ছবি
উন্নয়নশীল আটটি মুসলিম দেশের অর্থনৈতিক জোট ডেভেলপিং-৮ বা ডি-৮ সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে ভিসা প্রক্রিয়া সহজীকরণের নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। 

সোমবার (১১ মে) এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে ডি-৮ সদস্য দেশগুলোর ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের ভার্চুয়াল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। জোটের অন্যতম সক্রিয় সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ এই গুরুত্বপূর্ণ সভায় সভাপতিত্ব করে। বৈঠকে সদস্য দেশগুলোর প্রতিনিধিরা ডি-৮ অঞ্চলের অভ্যন্তরে গতিশীলতা বৃদ্ধি এবং ভ্রমণ প্রক্রিয়া আরও সহজ করার বাস্তবসম্মত উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

ডি-৮ সচিবালয়ের অফিশিয়াল এক্স হ্যান্ডেল থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়, সভার আলোচনায় জোটের মহাসচিব রাষ্ট্রদূত সোহাইল মাহমুদ শক্তিশালী ‘সফট কানেক্টিভিটি’ বা যোগাযোগ ব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরেন। 

তিনি বলেন, ভিসা সুবিধা সহজ করা হলে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা গভীর হবে এবং বেসরকারি খাতের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে ডি-৮ অঞ্চলের অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ পরিস্থিতির উন্নতি ঘটবে, যা অর্থনৈতিক একীকরণকে ত্বরান্বিত করার পাশাপাশি জনগণের সঙ্গে জনগণের সংযোগ আরও বিস্তৃত করবে।

বৈঠকে বিশেষ করে সরকারি কর্মকর্তা এবং স্বীকৃত ব্যবসায়ীদের জন্য ভিসা ও ভ্রমণ প্রক্রিয়া কীভাবে আরও সহজ করা যায়, সে বিষয়ে বিভিন্ন প্রস্তাব ও বিদ্যমান ব্যবস্থার অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়।

সদস্য রাষ্ট্রগুলো ডি-৮-এর মূল উদ্দেশ্য এবং ‘দশকব্যাপী রোডম্যাপ ২০২০-২০৩০’-এ নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে উপযুক্ত নীতি প্রণয়ন ও চলাচল সহজ করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে। ডি-৮ মূলত উন্নয়নশীল দেশগুলোর বিশ্ব অর্থনীতিতে অবস্থান শক্তিশালী করা এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালের ১৫ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করা এই জোটে বাংলাদেশ ছাড়াও রয়েছে মিসর, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান ও তুরস্ক। তুরস্কের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নাজমুদ্দিন এরবাকানের হাত ধরে প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থাটি বর্তমানে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একটি কার্যকর অর্থনৈতিক মঞ্চ হিসেবে সমাদৃত। 

ইস্তাম্বুলে সদর দপ্তর অবস্থিত এই জোটটি মূলত দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে বাণিজ্য, কৃষি, খাদ্য নিরাপত্তা এবং জ্বালানির মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোতে পারস্পরিক অংশীদারত্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।

সময়ের আলো/টিএইচ


Loading...
Loading...
আন্তর্জাতিক- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: