হাসপাতালের টেন্ডার ব্যবস্থাপনা ঘিরে প্রভাব খাটানো বা সন্ত্রাসী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতিতে রয়েছে। এবং হাসপাতালের সার্বিক আইনশৃঙ্খলার উন্নতিতে অস্ত্রধারী আনসার নিয়োগ দেয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
শনিবার (১৬ মে) রাত পৌনে ১০টার দিকে ঢামেকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে সন্ত্রাসী হামলায় আহত ডা. নাসির ইসলামকে দেখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সন্ত্রাসী হামলায় আহত ডা. নাসির ইসলামের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। যেহেতু তার মাথায় আঘাত রয়েছে সেহেতু ৭২ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। এখন পর্যন্ত দুজন গ্রেফতার হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত কাউকে রেহাই দেয়া হবে না। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে বাকিদের ধরতেও কাজ চলছে।’
প্রধানমন্ত্রী কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন, সন্ত্রাসী যে দলেরই হোক না কেন কাউকে রেহাই দেওয়া হবে না। এই মবের যে উদ্যোক্তা তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘হাসপাতালগুলোতে টেন্ডার নিয়ে হুমকি-ধামকি দেয়া হচ্ছে। টেন্ডার বিষয়ে দুর্নীতিতে জিরো টলারেন্স অবস্থায় রয়েছে সরকার। এরআগে ক্যান্সার হাসপাতালের এক চিকিৎসককে কুপিয়ে আহত করেছিল। সকল সন্ত্রাসীদের আমরা চিহ্নিত করেছি। কাউকে রেহাই দেওয়া হবে না। সবাইকে গ্রেফতার করা হবে। এরইমধ্যে আমাদের কয়েকজন ডাক্তারকে থ্রেট দেওয়া হয়েছে, তবে কেউ শঙ্কিত নয়। তারা দেশের স্বার্থে জনগণের জন্য কাজ করে যাবে মেডিকেল বিষয়ে কোনো সন্ত্রাসীকে রেহাই দেয়া হবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘হুমকিতে চিকিৎসকরা শঙ্কিত নয়। এছাড়া হাসপাতালের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা উন্নতির জন্য সারা দেশের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ অস্ত্রধারী আনসার নিয়োগ দেয়া হচ্ছে।’
হাম পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আজও সারাদেশে এক হাজারের নিচে হাম রোগী। হামে মৃত্যু শূন্য। সন্দেহজনক মৃত্যু দুজন। আপনারা জানেন, একটা ভ্যাকসিন ছিল না। ভিটামিন-এ ক্যাপসুল ছিল না। প্রধানমন্ত্রীর সফল চেষ্টায় আমরা টিকার ব্যবস্থা করেছি। বর্তমানে সব ভ্যাকসিন আমাদের কাছে স্টক রয়েছে। বিগত দিনে হামের টিকার গাফিলতির কারণে আজকের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। খুব দ্রুতই হামসহ নিউমোনিয়া পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে বলেও আশ্বস্ত করেন তিনি।
/কেআই