কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সবাইকে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশ বিশ্বের খাদ্য উৎপাদনের হাব হতে পারে। এদেশের আবহাওয়া ও মাটি খাদ্য উৎপাদনের জন্য ভালো। আমরা কৃষিকে রফতানিমুখী করতে পারি, সে সম্ভাবনা আমাদের আছে। কৃষি রফতানি পণ্য না হওয়া পর্যন্ত দেশের অর্থনীতি স্থির হবে না।
রোববার (১৭ মে) রাজধানীর খামারবাড়িস্থ বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক কৃষি গবেষণা পরামর্শক সংস্থা (সিজিআইএআর) এর পরামর্শক কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘সবার জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা জরুরি। খাদ্য উৎপাদন ও প্রক্রিজাতকরণসহ সকল পর্যায়ে নজর রাখতে হবে। খাদ্যের মধ্যে হেভি মেটাল (ভারী ধাতু) যাবে না এটা আমরা চাই।’
তিনি বলেন, ‘কীভাবে সারের ব্যবহার কমানো যায় সে বিষয়ে বিশদভাবে কাজ করতে হবে। সার পরিবেশ, জমি ও মানবস্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। সারের অতিব্যবহার থেকে আমাদের বের হয়ে আসতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘কৃষি সেচ সম্পূর্ণভাবে সোলারের আওতায় আনা হচ্ছে। চলতি বছরে যতটুকু সম্ভব সোলারের আওতায় নিয়ে আসা হবে।’
বিএআরসি’র নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং সিজিআইএআর পরামর্শক কমিটির চেয়ারপার্সন ড. মো. আবদুছ ছালাম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সচিব ড. রফিকুল ই মোহামেদ।
/কেএইচও