প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে এসে খুন সৌদি প্রবাসী

আদালত প্রতিবেদক

আইন-আদালত

রাজধানীর মুগদার মান্ডা এলাকায় সৌদি প্রবাসী মোকাররমকে হত্যা করে মরদেহ টুকরো করার ঘটনায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন আসামি হেলেনা বেগম।

2026-05-19T20:44:05+00:00
2026-05-19T20:51:30+00:00
 
  বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
১৯ ভাদ্র ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আইন-আদালত
মুগদায় হত্যাকাণ্ড
প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে এসে খুন সৌদি প্রবাসী
আদালত প্রতিবেদক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ৮:৪৪ পিএম  আপডেট: ১৯.০৫.২০২৬ ৮:৫১ পিএম
আদালত চত্বরে হেলেনা। ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীর মুগদার মান্ডা এলাকায় সৌদি প্রবাসী মোকাররমকে হত্যা করে মরদেহ টুকরো করার ঘটনায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন আসামি হেলেনা বেগম। একই ঘটনায় তার মেয়ে হালিমা আক্তারকে কিশোরী হওয়ায় গাজীপুরের কোনাবাড়ী কিশোরী উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৯ মে) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হেলেনাকে হাজির করেন। তিনি স্বেচ্ছায় জবানবন্দি দিতে রাজি হলে তা রেকর্ড করেন আদালত। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। অন্যদিকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৫ হালিমাকে কিশোরী উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

Advertisement
এর আগে র‍্যাব-৩ সংবাদ সম্মেলনে হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরে জানায়, ভুক্তভোগী মোকাররম ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাসিন্দা এবং সৌদি প্রবাসী ছিলেন। একই গ্রামের সুমনের স্ত্রীর সঙ্গে তার সম্পর্ক তৈরি হয়। প্রবাসে থাকাকালীন তিনি ওই নারীর সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন এবং তাকে পাঁচ লাখ টাকার বেশি অর্থ দেন।

র‍্যাবের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৩ মে মোকাররম সৌদি আরব থেকে গোপনে দেশে ফিরে মুগদার মান্ডা এলাকার ভাড়া বাসায় আসেন, যেখানে হেলেনা দুই মেয়েকে নিয়ে থাকতেন। ওই রাতে তার সঙ্গে তাসলিমার বিয়ে নিয়ে বিরোধ হয় এবং টাকা ফেরত চাওয়া নিয়ে উত্তেজনা তৈরি হয়। একই সময় হেলেনার কিশোরী মেয়ের সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণের অভিযোগও উঠে আসে, যা হেলেনাকে ক্ষুব্ধ করে।

পরদিন ১৪ মে সকালে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, ঘুমের ওষুধ খাওয়ানোর পর মোকাররমকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়। এরপর ধস্তাধস্তির সময় বটি, হাতুড়ি ও অন্যান্য ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। এক পর্যায়ে মোকাররমকে হত্যা করার পর তার মরদেহ বাথরুমে নিয়ে টুকরো করা হয়। পরে সেই দেহাংশ পলিথিন ও বস্তায় ভরে বাসার নিচে ময়লার স্তুপে ফেলে দেওয়া হয় এবং কিছু অংশ ভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়া হয় বলেও স্বীকারোক্তিতে উঠে আসে।

র‍্যাব জানায়, ঘটনার পর ঘর পরিষ্কার করে প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করা হয়। পরবর্তীতে ১৬ মে মান্ডা এলাকা থেকে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় মোকাররমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।

আরবিএন 
  বিষয়:   রাজধানী  মুগদা  মান্ডা এলাকা  সৌদি প্রবাসী  মোকাররম 


Loading...
Loading...
আইন-আদালত- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: