শততম দিনেই জীবনমানে পরিবর্তন আসতে শুরু করেছে, দাবি সরকারের

নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয়

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের ১০০ দিন পূর্ণ করেছে বিএনপি। এ উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের

2026-05-25T22:32:34+00:00
2026-05-25T22:33:42+00:00
 
  রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬,
৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
জাতীয়
শততম দিনেই জীবনমানে পরিবর্তন আসতে শুরু করেছে, দাবি সরকারের
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ১০:৩২ পিএম  আপডেট: ২৫.০৫.২০২৬ ১০:৩৩ পিএম
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ও উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন। সংগৃহীত ছবি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের ১০০ দিন পূর্ণ করেছে বিএনপি। এ উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ও উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন বলেছেন, সরকারের অভূতপূর্ব কর্মযজ্ঞে সাধারণ মানুষের জীবনমানে ইতোমধ্যেই ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে শুরু করেছে। 

সোমবার (২৫ মে) বিকালে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই সময়ে সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি ও সাফল্যের ফিরিস্তি তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেসসচিব জাহিদুল ইসলাম রনির সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমন। 

তিনি বলেন, দীর্ঘ দুঃশাসনের পর, রক্তস্নাত জুলাই গণভ্যুত্থান এবং ১৬ বছরের ত্যাগ-সংগ্রামের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা পেরিয়ে, প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের দূরদর্শী ও জনবান্ধব নেতৃত্বে, দেশ আজ গভীর সংকট কাটিয়ে জনগণের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করেছে। প্রথম ১০০ দিনেই জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার লুণ্ঠিত রাষ্ট্রীয় মালিকানা জনগণের কাছে আবার ফিরিয়ে দিয়েছে; মজবুত করে চলেছে গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো।

 মাহদী আমিন বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভা ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৪ মে পর্যন্ত মোট ১০টি কেবিনেট সভা সম্পন্ন করেছে। এসব সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ৬০টি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৩৭টি সিদ্ধান্ত অর্থাৎ প্রায় ৬২ শতাংশ এরইমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে এবং ২৩টি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় রয়েছে। 

সরকার গঠনের পর এত স্বল্প সময়ে মন্ত্রিসভায় নেওয়া সিদ্ধান্তগুলোর উল্লেখযোগ্য অংশ কার্যকর করতে সক্ষম হওয়া সরকারের দ্রুততা, কার্যকারিতা ও আন্তরিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত বলেও দাবি করেন প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা।

এসময় সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন ড. মাহদী আমিন।

তিনি বলেন, জনগণের বিপুল ম্যান্ডেট নিয়ে গঠিত মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের সরকারের মাত্র ১০০ দিনের পথচলায়ই দেশের নানা ক্ষেত্রে দৃশ্যমান, সুস্পষ্ট ও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি পরিলক্ষিত হয়েছে। একইসঙ্গে জনমনে সৃষ্টি হয়েছে ক্ষমতায়ন, আশা-আকাঙ্খা ও প্রত্যাশার এক নতুন, দৃঢ় ও ইতিবাচক মেলবন্ধন। গৃহীত বহুমুখী ও সময়োপযোগী পদক্ষেপের ফলে জনজীবনে ফিরে এসেছে স্বস্তি ও শৃঙ্খলা। সরকারের রূপকল্পে দেশের ২০ কোটি মানুষ যদি একসঙ্গে কাজ করে, তরুণ ও নারীরা যদি ক্ষমতায়িত হন, ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশকে আমরা অবশ্যই একটি মর্যাদাশীল ও স্বনির্ভর রাষ্ট্রে পরিণত করতে সক্ষম হব।

মাহদী আমিন বলেন, নির্বাচিত সরকার বিশ্বাস করে, গণতন্ত্র সুসংহত করার পাশাপাশি রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো এমন নীতিগত সহায়তা প্রদান করা, যেখানে দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিক বৈষম্যহীনভাবে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে সমান সুযোগ পান এবং দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় অবদান রাখতে পারেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থান এবং ১৬ বছরের গণতান্ত্রিক পথচলায় শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত এই গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান অঙ্গীকারবদ্ধ। ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাত -এই সম্মিলিত শক্তিই দেশের অগ্রগতির মূল ভিত্তি। এই কারণেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেন: করবো কাজ, গড়বো দেশ। সবার আগে বাংলাদেশ। 

আসুন, আমরা সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে গড়ে তুলি একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও স্বচ্ছল বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা নিজেদের ও পরিবারের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটাই, সমস্যার সমাধান করি এবং উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নেই।

সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশের বাণিজ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন গতি আনতে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত ইকোনমিক করিডোর বাস্তবায়নের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। আগামী ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে উদ্বোধনের লক্ষ্য নিয়ে দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালের কাজ।

তিনি আরও জানান, বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য ব্যাংক গ্যারান্টি সুবিধা সম্প্রসারণ করা হয়েছে। বিমানবন্দর ও ট্রেনে হাই-স্পিড ফ্রি ওয়াই-ফাই চালুর মাধ্যমে প্রযুক্তিনির্ভর সেবা সম্প্রসারণ করা হয়েছে। তরুণদের ক্রীড়া প্রতিভা বিকাশে নতুন করে স্পোর্টস ও নতুন কুঁড়ি কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্য খাতে সরকার দ্রুত ও মানবিক উদ্যোগ নিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, হামের টিকা এনে প্রায় শতভাগ শিশুকে টিকাদানের আওতায় আনা হয়েছে। মাতৃত্বকালীন ছুটি উন্নীত করা হয়েছে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য খাতে পর্যায়ক্রমে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ নিশ্চিতের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

সরকার গঠনের পরেই প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি মন্ত্রণালয়ে বিষয়ভিত্তিক ও খাতনির্ভর ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের নির্দেশনা দিয়েছিলেন জানিয়ে তিনি বলেন, এর ফলে পুরো রাষ্ট্রকাঠামো একযোগে লক্ষ্য স্থির করে, নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে অনিঃশেষ কাজ করে যাচ্ছে। সরকারের অভূতপূর্ব এই কর্মযজ্ঞে সাধারণ মানুষের জীবনমানে ইতোমধ্যেই ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে শুরু করেছে। 

মাহদী আমিন বলেন, ঐতিহ্যগতভাবে বিএনপি সংস্কারের ধারক এবং বাহক। বাংলাদেশের ইতিহাসে যতগুলো মৌলিক সংস্কার হয়েছে, সবগুলো কিন্তু শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় হয়েছে কিংবা প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময় হয়েছে। ঐতিহ্যগত সেই সংস্কারকে ধারণ করেই ২০১৬ সালে ‘ভিশন ২০৩০’ প্রণয়ন করেছিলেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। ২০২২ সালে ‘২৭ দফা’ প্রণয়ন করেছিলেন তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান। ২০২৩ সালে ‘৩১ দফা’ প্রণয়ন করা হয়েছিল চূড়ান্তভাবে এবং সেই ৩১ দফাতেই কিন্তু সংস্কারের মৌলিক ভিত্তি রয়েছে। আজকের বাংলাদেশে আমরা যা কিছু নিয়ে আলোচনা করি না কেন, তার প্রায় প্রতিটিই বিএনপির সেই ৩১ দফায় রয়েছে। জুলাই সনদে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ সহ বিএনপি সম্মত হয়ে যেভাবে স্বাক্ষর করেছিল; সেই স্বাক্ষরিত জুলাই সনদকে আমরা বাস্তবায়নের জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। দেশের মানুষের কাছে বিএনপি যে অঙ্গীকার করেছে এবং যে প্রতিশ্রুতির আলোকে জনগণ ধানের শীষে ভোট দিয়েছে, সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে শুরু করে সবাই তা অক্ষরে-অক্ষরে পালনের জন্য দায়বদ্ধ। একই সঙ্গে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের বীরদের আত্মত্যাগকে চিরস্মরণীয় রাখতে এবং তাদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে জাতীয় সংসদে ‘জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি আইন’ পাস করা হয়েছে।

তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকারও গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের জন্য সর্বোচ্চ স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে। তবে ইতোমধ্যে আমরা দেখেছি, এই নজিরবিহীন স্বাধীনতার সুযোগ নিয়ে একটি গোষ্ঠী উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে এবং বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা, অশোভন আচরণ ও অশালীন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সামাজিক অস্থিতিশীলতা তৈরির যে প্রয়াস চলছে, তা গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও রাষ্ট্রীয় শৃঙ্খলার জন্য ক্ষতিকর। বাকস্বাধীনতার নামে অপপ্রচার, বিদ্বেষ বা বিষেদগারের যে রাজনীতি একটি গোষ্ঠীর অপকৌশলে পরিণত হয়েছে, সেই চর্চা গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্খার সাথে সাংঘর্ষিক।


মাহদী আমিন বলেন, বাংলাদেশি পাসপোর্টে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হচ্ছে। আবারও যুক্ত করা হচ্ছে ‘ইসরায়েল ব্যতীত’ শব্দবন্ধ, যা ক্ষমতাচ্যুত ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে বাদ দেওয়া হয়েছিল। জাতীয় স্বার্থ, ইসলামী মূল্যবোধ ও জনগণের অনুভূতির প্রতি সম্মান জানিয়ে বিএনপি সরকার এই শব্দবন্ধ পুনর্বহালের উদ্যোগ নিয়েছে। একই সঙ্গে ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যা দেশের অগ্রযাত্রায় একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে।

জনগনের আস্থাকে পাথেয় করে, এই বিএনপি সরকার পদ্মা ব্যারেজের কাজ সম্পন্ন করবে, তিস্তা ব্যারেজের কাজেও হাত দেবে, ইনশাআল্লাহ।

 প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র দাবি করেন, শ্রমবান্ধব রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি সবসময় শ্রমিকদের অধিকার, মর্যাদা ও ন্যায্য প্রাপ্য নিশ্চিত করার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকারও দেশব্যাপী শ্রমিকদের ঈদের আগে বেতন, ভাতা ও ঈদ বোনাস পরিশোধ নিশ্চিত করতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এ লক্ষ্যে ব্যাংক, সংশ্লিষ্ট অংশীজন, কারখানার মালিক-শ্রমিক এবং মালিকদের বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা ও সমন্বয় করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা এবং নগদ অর্থছাড়ের ব্যবস্থাও নিশ্চিত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, শ্রমিক অসন্তোষ বা আন্দোলনের কারণে অতীতে যে অনিশ্চয়তা ও অস্থিরতার পরিস্থিতি তৈরি হতো, চলমান উদ্যোগের ফলে তা সফলভাবে এড়ানো সম্ভব হয়েছে। ফলে শিল্প-কারখানার শ্রমিকরা শান্তিপূর্ণ, আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে ঈদ উদযাপনের সুযোগ পাচ্ছেন, আলহামদুলিল্লাহ। 

ঈদুল আজহায় ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সরকার বিশেষ ট্রেন সার্ভিস ও বিশেষ নৌ-সার্ভিস চালু করেছে বলে জানান মাহদী আমিন। তিনি বলেন, ট্রেনে নারীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় ভ্রমণ নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আলাদা কম্পার্টমেন্টের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। পাশাপাশি ঈদের সাত দিন আগে থেকেই বিশেষ মনিটরিং সেল গঠন করে সার্বিক যাত্রাব্যবস্থা তদারকির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। 

কোরবানিকে কেন্দ্র করে গবাদিপশু চোরাচালান রোধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি দেশে উৎপাদিত গবাদিপশু খাতের বিকাশ ও বিক্রয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা। তিনি বলেন, কোরবানির পশুর বর্জ্য ৮ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণ, চামড়ার ন্যায্য মূল্য নিশ্চিতকরণ এবং সঠিক সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সরকারি সহায়তা প্রদানের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সরকারের বিশেষ উদ্যোগে এবার সাধারণ হজযাত্রীদের বিমানভাড়া ব্যাপকভাবে কমানো সম্ভব হয়েছে যা সাধারণ মানুষের জন্য বড় ধরনের স্বস্তি বয়ে এনেছে।

 সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার এস এ এম মাহফুজুর রহমান, উপ-প্রেসসচিব হাসান শিপলু, সুজাউদ্দৌলা সুজন, শাহদাৎ হোসেন স্বাধীন প্রমুখ।



/ইউএমএইচ

 



  বিষয়:   ড. মাহদী আমিন  বিএনপি 


Loading...
Loading...
জাতীয়- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: