জ্যৈষ্ঠের শুরুতে কালবৈশাখী ও মৌসুমি বৃষ্টির প্রত্যাশা থাকলেও দেশের বড় অংশ এখনো তীব্র গরমে পুড়ছে। আবহাওয়া পরিস্থিতি বলছে, দেশের অধিকাংশ এলাকায় বৃষ্টির ঘাটতির কারণে তাপপ্রবাহের বিস্তার আরও বেড়েছে এবং তা দ্রুত কমার সম্ভাবনাও নেই।
সোমবার (২ জুন) দেশের প্রায় ৪০টি জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যায়। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় খুলনায়, যেখানে পারদ ওঠে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। রাজধানী ঢাকাতেও তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রির বেশি ছিল, যা নগরবাসীর দুর্ভোগ আরও বাড়িয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, বান্দরবান ও কুমিল্লা ছাড়া দেশের বেশিরভাগ এলাকাই ছিল প্রায় বৃষ্টিশূন্য। কয়েকটি অঞ্চলে বিচ্ছিন্নভাবে বৃষ্টি হলেও তা তাপমাত্রা কমানোর মতো পর্যাপ্ত ছিল না।
আরও পড়ুন
আজ দেশের আট বিভাগেই বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও তা মূলত বিচ্ছিন্ন ও স্বল্পস্থায়ী হতে পারে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু এলাকায় বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি রয়েছে। কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণও হতে পারে।
তবে আবহাওয়াবিদরা বলছেন, এ ধরনের বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাত তাপপ্রবাহের ওপর বড় কোনো প্রভাব ফেলবে না। বরং আগামী দুই থেকে তিন দিন দেশের বেশিরভাগ অঞ্চলে গরমের পরিস্থিতি প্রায় একই রকম থাকতে পারে।
এদিকে সিলেট অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে অস্থায়ী ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কায় সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। দিনের নির্দিষ্ট সময়ে বজ্রসহ বৃষ্টি এবং ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।
এএডি/