‘স্যার আমি নির্দোষ, আমি কিছু করিনি’

নিজস্ব প্রতিবেদক

আইন-আদালত

বহুল আলোচিত শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় বিচারিক কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ এক পর্যায়ে পৌঁছেছে। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হওয়ার পর আসামিদের আত্মপক্ষ

2026-06-03T12:04:05+00:00
2026-06-03T12:04:05+00:00
 
  রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬,
২ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
আইন-আদালত
‘স্যার আমি নির্দোষ, আমি কিছু করিনি’
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ১২:০৪ পিএম 
সংগৃহীত ছবি
বহুল আলোচিত শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় বিচারিক কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ এক পর্যায়ে পৌঁছেছে। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হওয়ার পর আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানিতে নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মামলার আসামি স্বপ্না।

বুধবার (৩ জুন) ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে এ শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

শুনানিকালে বিচারক স্বপ্নার কাছে তার বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বারবার নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। স্বপ্না বলেন, ‘আমি কিছু করিনি স্যার। আমি নির্দোষ।’

আদালতে স্বপ্না বলেন, তিনি কোনো অপরাধে জড়িত নন এবং ঘটনার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা নেই। এ সময় বিচারক তদন্তে উঠে আসা কিছু বিষয় উল্লেখ করে তার কাছে ব্যাখ্যা জানতে চান। বিশেষ করে ঘটনার সময় দরজা না খোলার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুললে স্বপ্না আবারও দাবি করেন যে তিনি কোনো অপরাধ করেননি। তার বক্তব্য আদালতের নথিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
আরও পড়ুন

শুনানির সময় মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানাও নিজের বক্তব্য উপস্থাপন করেন। তিনি আদালতের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং ‘ডলার’ নামে আরেক ব্যক্তির নাম উল্লেখ করে দাবি করেন, ঘটনার সঙ্গে ওই ব্যক্তিরও সম্পৃক্ততা রয়েছে।

সোহেল বলেন, তিনি একা দায়ী নন এবং বিষয়টি তদন্তের আওতায় আনার প্রয়োজন রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি নিজের খালাসও প্রার্থনা করেন। এর আগে মামলায় নিহত রামিসার বাবা-মা, বোন, স্বজন, প্রতিবেশী, প্রত্যক্ষদর্শী এবং তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ১৬ জন সাক্ষ্য প্রদান করেন।

রাষ্ট্রপক্ষ সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব সমাপ্ত করার আবেদন জানালে আদালত তা গ্রহণ করেন। পরে আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানি শেষে মামলার পরবর্তী ধাপ হিসেবে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য পরবর্তী দিন নির্ধারণ করা হয়।

গত ১৯ মে রাজধানীর পল্লবী এলাকার একটি বাসা থেকে আট বছর বয়সী রামিসার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।

তদন্তের অংশ হিসেবে ওই বাসার বাসিন্দা সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার তদন্ত চলাকালে সোহেল আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে ধর্ষণ ও হত্যার দায় স্বীকার করেছিলেন বলে তদন্তসংশ্লিষ্ট নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

এএডি/
  বিষয়:   স্যার  নির্দোষ  স্বপ্না  রামিসা  ধর্ষণ  মামলা 


Advertisement
Loading...
Loading...
আইন-আদালত- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: