দুই দেশের ঐতিহাসিক ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ বন্ধনকে আরও শক্তিশালী করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে এবং বাংলাদেশের উষ্ণ আতিথেয়তার জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ঢাকা ছেড়েছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান।
শনিবার (৬ জুন) দুই দিনের ফলপ্রসূ রাষ্ট্রীয় সফর শেষে ঢাকা ছাড়ার আগে দেওয়া এক বিদায়ী বার্তায় তিনি বাংলাদেশ ও তুরস্কের সম্পর্ককে কঠিন সময়ে সংহতি প্রদর্শনের এক অনন্য ও অকৃত্রিম দৃষ্টান্ত হিসেবে অভিহিত করেন।
সফরকালে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করাসহ কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্প পরিদর্শন করেন।
বিদায়ী বার্তায় হাকান ফিদান বলেন, ‘তুরস্ক ও বাংলাদেশের বন্ধুত্ব হলো এমন দুটি জাতির বন্ধুত্ব, যারা সাধারণ স্বার্থের ঊর্ধ্বে কঠিন সময়ে সংহতি প্রদর্শন করে এবং আমরা এই বন্ধনকে ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী করতে থাকব’।
তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, দুই দেশের ভ্রাতৃত্বের ঐতিহাসিক বন্ধনের সঙ্গে সংগতি রেখে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক অত্যন্ত দৃঢ় ভিত্তির ওপর গড়ে উঠছে এবং আগামী দিনে প্রতিটি ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও উন্নত করতে এবং একই দৃঢ় সংকল্প নিয়ে বাংলাদেশি ভাই-বোনদের সমর্থন অব্যাহত রাখতে তুরস্ক সম্পূর্ণরূপে অঙ্গীকারাবদ্ধ।
উষ্ণ আতিথেয়তার জন্য বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষ ও জনগণকে, বিশেষ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান হাকান ফিদান। খলিলুর রহমান সম্প্রতি ৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় তাকে আবারও অভিনন্দন জানিয়ে তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা শতভাগ আত্মবিশ্বাসী যে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক দায়িত্ব অত্যন্ত সাফল্যের সঙ্গে পালন করবেন’।
উল্লেখ্য, তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গত বৃহস্পতিবার রাতে দুই দিনের সফরে ঢাকায় আসেন এবং আজ শনিবার সফলভাবে সফর শেষ করে ঢাকা ত্যাগ করেন।
সময়ের আলো/টিএইচ