দেশজুড়ে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমীবায়ু বা বর্ষার প্রভাব দ্রুত বিস্তারের অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আগামী ৩ থেকে ৪ দিনের মধ্যে এই মৌসুমীবায়ু সারাদেশে পুরোপুরি সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে, যার ফলে বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সোমবার (৮ জুন) আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল হামিদ মিয়া স্বাক্ষরিত পূর্বাভাসে জানানো হয়, বর্ষা সক্রিয় হওয়ার প্রক্রিয়া এখন শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন স্থানে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পাশাপাশি কোথাও কোথাও মাঝারি ভারী থেকে ভারী বর্ষণও হতে পারে।
আগামী এক দিনে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে তুলনামূলক বেশি বৃষ্টি হতে পারে। রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও বরিশাল বিভাগের কিছু এলাকায় এবং রাজশাহী ও খুলনার দু-এক স্থানে দমকা হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে দেশের কিছু অঞ্চলে ভারী বর্ষণের শঙ্কাও রয়েছে। এ সময় দিনের তাপমাত্রা কিছুটা কমলেও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
আরও পড়ুন
মঙ্গলবার (৯ জুন) সিলেট বিভাগে বৃষ্টির পরিমাণ বেশি থাকতে পারে। পাশাপাশি দেশের অধিকাংশ বিভাগে বিচ্ছিন্নভাবে বৃষ্টিপাত ও বজ্রসহ ঝড়ো আবহাওয়া দেখা দিতে পারে। তবে তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
বুধবার (১০ জুন) বর্ষার প্রভাব আরও বিস্তৃত হয়ে সিলেটসহ প্রায় সব বিভাগেই বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হবে। কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণও হতে পারে। এ সময় দিনের তাপমাত্রা কিছুটা কমে আসতে পারে।
১১ জুনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলে বৃষ্টির প্রবণতা তুলনামূলক বেশি থাকবে। ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগেও বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টিপাত হতে পারে। একই সঙ্গে দেশের কিছু এলাকায় ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।
আগামী শুক্রবার (১২ জুন) দেশের উত্তর-পূর্ব ও উপকূলীয় অঞ্চলে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। বর্ষার বিস্তারের ফলে দেশের প্রায় সব বিভাগেই মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় দিনের ও রাতের তাপমাত্রা কিছুটা কমে আসতে পারে।
এএডি/