অবশেষে ৩ মাস পর নিজ বাড়ি ফিরলেন সীমান্তে আটকে থাকা সেই বৃদ্ধ। জামালপুরের বকশীগঞ্জ সীমান্তে ২৪ ঘণ্টা শূন্য রেখায় আটকে থাকার পর উদ্ধারকৃত ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মনকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকাল সাড়ে ৪টায় বকশীগঞ্জ থানা চত্বরে তাকে পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে তার ছোট ভাই ভবানী চন্দ্র বর্মনের নিকট ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মনকে হস্তান্তর করে বিজিবি ও থানা পুলিশ।
এ সময় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মকবুল হোসেন, জামালপুর ৩৫ বিজিবির ধানুয়া কামালপুর কোম্পানি কমান্ডার বিল্লাল হোসেন সহ ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মনের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। হস্তান্তরের আগে ভাইকে কাছে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে বকশীগঞ্জ উপজেলার রামরামপুর সীমান্তের শূন্য রেখা থেকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয় ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মনকে। ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মনের ভাই ভবানী বর্মন জানান, ২ মাস আগে রাজশাহীর গোদাগাড়ীর চান্দলাই নিজ গ্রাম থেকে নিখোঁজ হন ষষ্ঠী বর্মন (৬৮)। তাকে অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তাকে পাওয়া যায়নি। তিনি কীভাবে ভারতে গিয়েছেন বিষয়টি আমাদের জানা নেই।
বুধবার সকালে জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার রামরামপুর সীমান্তের ১০৮২ পিলারের কাছ দিয়ে জোর করে ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মনকে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ সদস্যরা। কিন্তু বিজিবি ও স্থানীয় এলাকাবাসীর বাধার কারণে পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ হয়। পরে শূন্য রেখায় অবস্থান নেন ওই ব্যক্তি৷ এনিয়ে সীমান্তে চরম উত্তেজনা দেখা দেয়। দিনভর উত্তেজনার পর বৃহস্পতিবার শূন্যরেখা থেকে উদ্ধারের পর থানায় সোপর্দ করে বিজিবি। আইনি প্রক্রিয়া শেষে করে অবশেষে হস্তান্তর করা হলো ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মনকে।
বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মকবুল হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার সকালে বিজিবি সীমান্ত থেকে উদ্ধার করে ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মনকে আমাদের নিকট সোপর্দ করেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে তাকে তার পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
সময়ের আলো/জোই