প্রকাশ: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ৫:৩৪ এএম আপডেট: ১২.০৬.২০২৬ ৫:৩৪ এএম
গ্রাফিক : সময়ের আলো আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। ১০টি প্রধান অগ্রাধিকারভুক্ত খাতের মধ্যে শিক্ষা খাতকে রাখা হয়েছে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অবস্থানে।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট বক্তব্যে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী শিক্ষা খাতে বড় বরাদ্দ এবং নতুন শিক্ষা-পরিকল্পনার রূপরেখা তুলে ধরেন।
বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে ভেঙে পড়া শিক্ষা কাঠামো সংস্কার এবং জ্ঞানভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণের লক্ষ্যে শিক্ষা খাতে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৬ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। এ বরাদ্দ মোট জিডিপির ২ শতাংশ।
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ ছিল ৮৭ হাজার ২০৬ কোটি টাকা, যা জিডিপির ১ দশমিক ৩৯ শতাংশ। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ছে প্রায় ৪৯ হাজার ৪০০ কোটি টাকা।
শিক্ষা খাতে বরাদ্দের গুরুত্বারোপ করে অর্থমন্ত্রী বাজেট বক্তৃতায় বলেন, এবারের বাজেটে শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নকে আমরা জাতীয় অগ্রযাত্রার ‘নিউক্লিয়াস’ (মূল কেন্দ্র) হিসেবে বিবেচনা করেছি। একটি জাতির ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হয় তার জ্ঞান, দক্ষতা, মূল্যবোধ, সৃজনশীলতা ও কর্মক্ষমতার দ্বারা।
তাই বর্তমান সরকার শিক্ষাকে কেবল সনদ অর্জনের মাধ্যম হিসেবে নয় বরং জাতীয় পুনর্গঠন, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, সামাজিক সমতা প্রতিষ্ঠা এবং কর্মসংস্থানমুখী অর্থনীতির সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করে।
এর মধ্যে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে পর্যায়ক্রমে সবার জন্য কারিগরি শিক্ষা চালু এবং বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি তৃতীয় ভাষা শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব রয়েছে। তৃতীয় ভাষার মধ্যে জাপানিজ, কোরিয়ান, ম্যান্ডারিন ও ফ্রেঞ্চ অন্তর্ভুক্ত থাকবে।